জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন নাঈম ইসলাম। শনিবার চট্টগ্রামে ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে শতক হাঁকান রংপুরের এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। তার আগে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন লিটন দাসও।
এদিকে অন্য ম্যাচে সেঞ্চুরি থেকে আর ৫ রান দূরে রয়েছেন ঢাকা মেট্রোর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সিলেটের বিপক্ষে ৯৫ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন তিনি।
ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরমার নাঈম। যদিও দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের বাইরে তিনি। ৩১ বছর বয়সী এদিন পেলেন ২৭তম ফার্স্ট ক্লাস সেঞ্চুরির দেখা। ১২৪ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন। ২২৯ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করেন। দিন শেষে তার ইনিংসে ছিল ১২টি চার ও ১ ছক্কা।
বাংলাদেশের পক্ষে ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে নাঈমের চেয়ে বেশি সেঞ্চুরি আছে কেবল তুষার ইমরানের। ৩১ সেঞ্চুরি নিয়ে শীর্ষে তুষার। পরের স্থানগুলোতে থাকা অলক কাপালি, মুমিনুল হক ও মোহাম্মদ আশরাফুলের ২০টি করে ফার্স্ট ক্লাস সেঞ্চুরি।
নাঈম এবং লিটনের সেঞ্চুরিতে ঢাকা বিভাগের বড় লক্ষ্যের বিপরীতে ভালো জবাব দিচ্ছে রংপুর বিভাগ। প্রথম স্তরের ম্যাচটিতে তৃতীয় দিন শেষে ঢাকার প্রথম ইনিংসের চেয়ে যদিও ২২২ রানে পিছিয়ে রংপুর।
সাইফ হাসানের ডাবল সেঞ্চুরিতে ঢাকার প্রথম ইনিংসে সংগ্রহ ছিল ৮ উইকেটে ৫৫৬। রংপুর ৫ উইকেটে ৩৩৪ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে। তানবীর হায়দার অপরাজিত আছেন ৫২ রানে। এর আগে ওপেনার লিটন খেলেন ১২২ রানের ইনিংস।
এদিকে বগুড়ায় আর ৫ রান করলেই প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পাবেন মাহমুদউল্লাহ। প্রথম রাউন্ডে চট্টগ্রামের বিপক্ষে ফিফটি তুলে নিয়েছিলেন মেট্রোর এই ব্যাটার। আর এই রাউন্ডের প্রথম ইনিংসে খেলেন ৬৩ রানের ইনিংস।
এদিন ৩ রানের জন্য সেঞ্চুরি পাননি খুলনা বিভাগের নুরুল হাসান সোহান। খুলনার প্রথম ইনিংস যখন ৩০৯ রানে গুটিয়ে যায়, তখন সোহানের রান ছিল ৯৭ (অপরাজিত)। সঙ্গীর অভাবে সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন তিনি।
