চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের সক্ষমতা বেড়েছে। গত ১৬ অক্টোবর করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ১৫টি বেড সংযুক্ত করা হয়েছে। এতে হৃদরোগে আক্রান্তদের আরও মানসম্মত সেবা দেওয়া সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন।
চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরাও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সিসিইউতে বড় বোনকে ভর্তি করাতে পেরে কিছুটা স্বস্তিতে সীতাকুণ্ড থেকে আসা নিশাত রহমান, ‘গত শনিবার বোনকে ভর্তির পর সিসিইউতে বেড পেয়েছি। এখনো অনেক রোগী বেড পায়নি। চমেকের মতো হাসপাতালে করিডরে রোগী দেখলে কষ্ট লাগে।’ ডzলাহাজরা মালুমঘাট থেকে রোকেয়া খাতুন জানান, স্বামীকে তিন দিন আগে সিসিইউতে ভর্তি করান। এখন অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। একই সেবা বেসরকারিতে কয়েকগুণ টাকা বেশি লাগত।
হৃদরোগ বিভাগের চিকিৎসকরা জানান, সাধারণত সিসিইউতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করা হয়। কোন ধরনের হার্ট অ্যাটাক সেটিও শনাক্ত করা যায়। ১৯৮৯ সালে চমেক হৃদরোগ বিভাগে সিসিইউ চালু হয়। এতদিন ১৬ শয্যার হলেও ১৬ অক্টোবর আরও ১৫ শয্যা যোগ করা হয়। দিনে গড়ে ৭০ রোগী সিসিইউর সেবা নেন। এর বাইরে ১২নং ওয়ার্ডে হৃদরোগে আক্রান্ত ২৫০-৩০০ রোগী ভর্তি থাকেন। কিন্তু শয্যার অভাবে রোগীদের বারান্দায় রাখা হয়। এমনকি সিসিইউর মেঝেতেও অনেক রোগী রাখা হয়। চমেক হাসপাতাল রোগী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সমাজসেবা কর্মকর্তা অভিজিৎ সাহা দেশ রূপান্তরকে জানান, শয্যা সংকট বিবেচনায় নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলি। এরপর তাহের ব্রাদার্সের সহায়তায় ২৪ লাখ টাকা খরচে ১৫টি শয্যা যুক্ত করা হয়। গরিব রোগী যাতে সেবাবঞ্চিত না হন, সেজন্যই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চমেক হৃদরোগ বিভাগের প্রধান ডা. প্রবীর কুমার দাশ বলেন, ‘সিসিইউতে ১৫টি শয্যা যুক্ত হওয়ায় হৃদরোগীদের সেবার মান আরও একধাপ বাড়ল। হৃদরোগে আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগীকে সময়মতো সিসিইউতে চিকিৎসা দিলে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।’ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আখতারুল ইসলাম বলেন, ‘জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরেই এখন চমেক হৃদরোগ বিভাগ।
