শিক্ষক নিয়োগে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম রোস্তম আলীর ঘুষবাণিজ্য ফাঁস এবং এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় তিন শিক্ষকের শোকজ প্রত্যাহারের দাবিতে মঙ্গলবার শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন করেছেন। সকাল থেকে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেন। এতে ক্লাস-পরীক্ষাসহ অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।
আন্দোলনকারীরা এদিন চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে ঘুষবাণিজ্যের স্বাধীন তদন্ত, শোকজ প্রত্যাহার, প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগ, রিজেন্ট বোর্ডে নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধি রাখা, ছাত্র-শিক্ষকদের জন্য গবেষণা বরাদ্দ, খেলার মাঠ উপযোগী ও শহীদ মিনার নির্মাণসহ ১২ দফা দাবি তুলে ধরে। এসব দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করে শাখা ছাত্রলীগ। সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ চৌধুরী আসিফ জানান, শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে তারা একমত। ভিসির ঘুষ গ্রহণের অডিও ফাঁসে শিক্ষার্থীরা বিব্রত। তদন্ত করে দ্রুত দোষীদের শাস্তির দাবি জানান তিনি।
এদিকে ছাত্রদের দাবির বিষয়ে খোঁজ নিতে দুপুরে ক্যাম্পাসে আসেন সদর আসনের এমপি গোলাম ফারুক প্রিন্স। তিনি ঘুষকাণ্ড ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের সব দুর্নীতি তদন্ত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইউজিসির প্রতি আহ্বান জানান।
তবে ঘুষ গ্রহণের কথা আবারও অস্বীকার করে উপাচার্য এম রোস্তম আলী বলেন, আমি কোনো অন্যায় করিনি। বিষয়টি তদন্ত করলে সত্য বেরিয়ে আসবে। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি পূরণে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
