কর্মকর্তার অপেক্ষায় পাঁচ ঘণ্টা দেরিতে সেই নিয়োগ পরীক্ষা

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০১৯, ১২:১৫ এএম

‘জমির বিনিময়ে চাকরি’ শর্তের বিষয়টি ঈশ্বরদীজুড়ে আলোচিত-সমালোচিত হলেও অনুষ্ঠিত হয়েছে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী পদের আলোচিত নিয়োগ পরীক্ষা। গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় ঈশ্বরদীর পাকুড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল শাখার দুজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী পদে চাকরির লিখিত পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা পাঁচ ঘণ্টা দেরিতে বেলা ৩টায় হয়।

দেরির কারণ হিসেবে স্কুল কর্র্তৃপক্ষ জানায়, নিয়োগ কমিটির সদস্য ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম আক্তারের চাচাশ^শুর মারা যাওয়ায় গভর্নিং বডির সভাপতি, প্রধান শিক্ষক, ডিজির প্রতিনিধিসহ ১৩ জন চাকরিপ্রার্থী তার জন্য অপেক্ষা করেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার দুপুরে ঈশ্বরদী প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পাকুড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেন, ‘যে দুজনের চাকরি চূড়ান্ত হবে তার কাছ থেকে কোনো টাকা নেওয়া হবে না, তবে তারা দুজন স্কুলের ভবন নির্মাণের জন্য জমি কিনে দেবেন।’

এই বিষয়টি নিয়ে ‘দৈনিক দেশ রূপান্তর’সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ফলাও করে সংবাদ প্রকাশিত হলে ‘টক অব দ্য টাউনে’ পরিণত হয়। সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিয়োগ পরীক্ষার ব্যাপারে অনড় থাকেন স্কুল কর্র্তৃপক্ষ ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম আক্তার।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহমান বলেন, ‘মোটামুটি ভালোভাবেই নিয়োগ পরীক্ষা শেষ হয়েছে। এখনো প্রার্থী চূড়ান্ত বাছাই করা হয়নি, কাজ চলছে’Ñ বলেই মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন তিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম আক্তার বলেন, কেউ জমি কিনে দিলে আমার কী করার আছে? নিয়োগ পরীক্ষা না হলে আমাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হবে।

ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিহাব রায়হান বলেন, নতুন এসেছি। এসব বিষয়ে কিছুই জানি না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত