ফেইক নিউজ কেন তৈরি হয়, তার ব্যাখ্যা দাঁড় করেছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। তিনি বলেছেন, ‘সমাজে প্রচুর ফেইক সম্পাদক ও সাংবাদিক রয়েছেন। ফেইক রাজনীতিকও রয়েছেন। তারা একটি বস্তুনিষ্ঠ ঘটনার সঠিক তথ্য পাঠকের কাছে পৌঁছে দেন না। এতে সংবাদশাস্ত্রের ধ্রুপদী চরিত্রের সঙ্গে ফেইক নিউজ বৈশিষ্ট্যটি সাংঘর্ষিক হয়ে পড়ে।’
গতকাল রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন ফিল্ম এবং ফটোগ্রাফি বিভাগ ও বিজেসি আয়োজিত ‘ফেইক নিউজ ও সাংবাদিকতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার গণমাধ্যমবান্ধব। জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।’
গণমাধ্যমকর্মী আইন সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে জানিয়ে ডা. মুরাদ বলেন, ‘নিউজ মাত্রই তা বস্তুনিষ্ঠ হতে বাধ্য। সাংবাদিকদের আদর্শ-নৈতিকতা, সংবাদমাধ্যমের মালিকপক্ষ-সরকার সম্পর্ক ইত্যাদি সংবাদের মাধ্যমে জনমনে প্রভাব তৈরি করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘তথ্য মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেল গুজব প্রতিরোধে কাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, মিথ্যাচার এবং অসত্য সংবাদ দ্রুত ছড়িয়ে পাড়ে। এজন্য সরকার সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।’
