জামালপুরে এক গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে তার স্বামীকে হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালানো চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নির্যাতনের শিখার ওই গৃহবধূকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ একটি অপমৃত্যুর মামলা করলেও ধর্ষণের মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর।
জামালপুর সদর উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের ওই গৃহবধূ জানান, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ঘর থেকে বাইরে বের হলে স্থানীয় ছানোয়ার হোসেন, শাওন ও রফিজ উদ্দিন তাকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়।
পরে তাকে ছানোয়ারের বাড়ির পেছনে একটি জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে এবং গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে।
এরপর ওই গৃহবধূকে ছানোয়ারের বাড়িতে আটকে রেখে তার স্বামীকে ডেকে এনে মারধর করে হত্যার পর তার লাশ বাড়ির পাশে একটি গাছে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।
পরদিন সকালে পুলিশ গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায় এবং একটি অপমৃত্যু মামলা করে।
তবে হত্যাকাণ্ড এবং ধর্ষণের বিষয়ে পুলিশ কোনো মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন ওই গৃহবধূ। ওই গৃহবধূ বর্তমানে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন।
জামালপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সালেমুজ্জামান জানান, ওই নারীর স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে নাকি এটি আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে জানা যাবে। তবে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণের বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
