কলাপাড়ায় সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

আট বছর ধরে ভাতা যাচ্ছে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার পকেটে

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০১৯, ১০:৪৬ পিএম

মুক্তিযোদ্ধার নাম ও বাবার নামের সঙ্গে মিল থাকায় ৮ বছর ধরে হাফিজুর রহমান মাতুব্বর নামের এক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ভাতার টাকা উত্তোলন করছেন। মুক্তিযোদ্ধার নাম ভাঙিয়ে তিনি সন্তানদের চাকরিতে অন্তভু©ক্ত করেছেন।

গতকাল শনিবার সকালে কলাপাড়া প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান মোল্লার বড় মেয়ে লাইলী বেগম।   

লিখিত বক্তব্যে লাইলী বেগম উল্লেখ করেন তার বাবা হাফিজুর রহমান মোল্লা সনদধারী মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ২০০৭ সাল পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কলাপাড়া সোনালী ব্যাংক থেকে ভাতা তুলেছেন। পরে তিনি রাঙ্গাবালী উপজেলার যুগীর হাওয়া গ্রামের তাসলীমা বেগম নামের এক নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করে সেখানে বসবাস শুরু করেন। 

লাইলী বেগম বলেন, পরে একটি মামলার আসামি হয়ে পটুয়াখালী কারাগারে থাকা অবস্থায় গলাচিপা সোনালী ব্যাংক থেকে ভাতা উত্তোলনের জন্য জেল সুপারের কাছে আবেদন করেন এবং মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ২১/বি নম্বর বইয়ের মাধ্যমে সেখান থেকে ভাতার টাকা তোলার জন্য ব্যাংক পরিবর্তন করেন।

২০১২ সালের ৬ আগস্ট তিনি কারাগারে মারা যান। এরপর আমতলী উপজেলার চন্দ্রা গ্রামের মৃত করিম মাতুব্বরের ছেলে হাফিজুর রহমান মাতুব্বর নাম এবং বাবার নাম একই থাকায় কাগজপত্র জালিয়াতি করে মুক্তিযোদ্ধা সেজে ভাতা উত্তোলন শুরু করেন। গত ৮ বছর ধরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান মাতুব্বর ভাতা তুলছেন এবং মুক্তিযোদ্ধার নাম ভাঙিয়ে তার সন্তানদের চাকরিতে অন্তভু©ক্ত করেন। 

ওই কাগজপত্র জালিয়াত চক্রের সদস্যরা লাইলী বেগমকে হুমকি দেওয়ায় তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত