নরসিংদীর মেয়র লোকমান হত্যা মামলা থেকে ১১ জনকে অব্যাহতি

আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০১৯, ০৯:৩৬ পিএম

নরসিংদীর চাঞ্চল্যকর মেয়র লোকমান হত্যা মামলার ১১ আসামিকে বিচার বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ ৮ মাস তদন্ত শেষে চিফ জুডিশিয়াল কোর্ট থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়।

শুক্রবার বিকেলে নরসিংদী প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান হত্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়া আসামি বাংলাদেশ তাঁতী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাজ উদ্দিন ভূঞা।

২০১১ সালে লোকমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৪ জনকে আসামি করে নরসিংদী সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেন তার ছোট ভাই বর্তমান মেয়র কামরুজ্জামান কামরুল।

হত্যা মামলা থেকে অব্যাহতি প্রাপ্তরা হলেন নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, বাংলাদেশ তাঁতী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাজ উদ্দিন ভূঞা, নরসিংদী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি মিয়া মো. মনজুর আহমেদ, রহমান প্রেসের মালিক মনোয়ার হোসেন খান মইন, সাবেক মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদের এপিএস মাসুদুর রহমান মুরাদ, ব্যবসায়ী হিরণ মিয়া, আমু মিয়া, মামুন মিয়া, সাবেক ছাত্রনেতা কবির সরকার, বিএনপির সাবেক নেতা তারেক আহমেদ ও নুরুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ তাঁতী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাজ উদ্দিন ভূঞা বলেন, ২০১১ সালের ১ নভেম্বর নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সভা চলাকালে নরসিংদীর জনপ্রিয় পৌর মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেনকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে পালিয়ে যায়। লোকমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৪ জনকে আসামি করে নরসিংদী সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেন তার ছোট ভাই বর্তমান মেয়র কামরুজ্জামান কামরুল।

পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত শেষে উল্লিখিত ১১ জনকে লোকমান হত্যার দায় থেকে অব্যাহতি দিয়ে চার্জশিট দাখিল করে। পরে মামলার বাদী জজ কোর্টে পুনরায় নারাজি পিটিশন দাখিল করলে বিজ্ঞ আদালত তা বাতিল করে দেয়। এতে মামলার বাদী হাইকোর্টের সুপ্রিম কোর্টে শুনানি করে পুনরায় জুডিশিয়াল তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে আসেন। নরসিংদী চিফ জুডিশিয়াল আদালত ৮ মাস তদন্ত শেষে গত ৩১ অক্টোবর পুনরায় তাদের এ ষড়যন্ত্রমূলক হত্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দেয় এবং মূল মামলাটি শুরু করার জন্য নথি জজকোর্টে প্রেরণ করে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা আমীরুল ইসলাম ভূঁইয়া, নরসিংদী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি মিয়া মো. মনজুর, নরসিংদী জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান খোকন, নরসিংদী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জুবায়ের আহমেদ জুয়েল প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত