পার্বতীপুরে ধর্ষণের পর ৪ বছরের শিশু আবিদা সুলতানা মীম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আমজাদ হোসেনকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার ভোর ৫টায় রংপুর শহরের মডার্ন মোড় এলাকা থেকে পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পরপরই তাকে বিশেষ প্রহরায় পার্বতীপুর মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়।
দুপুর ২টায় তাকে দিনাজপুরের আমলি আদালত-৫-এর বিচারক রাশেদুল আমীনের এজলাসে হাজির করা হলে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
পার্বতীপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এবং মীমকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোহেল রানা জানান, গ্রেপ্তার আমজাদ হোসেন বিচারকের সামনে ঘটনায় জড়িত থাকার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরে এতে তার জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
গত শনিবার পার্বতীপুর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর মধ্য ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক আরিফুল ইসলামের একমাত্র সন্তান ৪ বছরের শিশু আবিদা সুলতানা মীম নিখোঁজ হয়। পরে মাইকিং করে ও বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে আমজাদ হোসেনের বাড়ির একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ওইদিন রাত ১১টায় নিহত মীমের বাবা আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে পার্বতীপুর মডেল থানায় ধর্ষক আমজাদ হোসেন, চাচা শাহিনুর আলম ও দাদি মমিনা বেওয়াসহ তিনজনকে আসামি করে একটি হত্যা ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ওই রাত থেকেই আমজাদ হোসেন পলাতক ছিল।
পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি মোখলেছুর রহমান বলেন, মীম হত্যা ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় এ মামলার তদন্তকাজে কয়েক ধাপ অগ্রগতি ও গতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
