১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের অনেক বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। প্রতি বছর এ দিনটি এলেই বাঙালি স্মরণ করে সেই সব অমর আলোকবর্তিকাকে। দেশ রূপান্তরের কাছে দিবসটি নিয়ে নিজেদের ভাবনার কথা জানালেন মৌটুসী বিশ্বাস।
আমার নানা অবনী মোহন দত্ত একজন বুদ্ধিজীবী ছিলেন। একাত্তরে তাকেও হত্যা করা হয়। তিনি ছিলেন চট্টগ্রাম কলেজের ফিলোসফির শিক্ষক। ফলে বুদ্ধিজীবী দিবস এলেই নানার কথা মনে করে ভেতরের ক্ষতটা বেড়ে যায়। পাকিস্তানিরা যখন বুঝল তারা হেরে যাবে তখনই বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যার নীলনকশা করে। এই বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ভেতর দিয়ে বাংলাদেশের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যাদের দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা তাদেরকেই মেরে ফেলা হলো। একটা দেশ স্বাধীন হওয়ার আগেই আমরা এতিম হয়ে গিয়েছিলাম। আমরা ওই জায়গাটাতে এখনো পৌঁছাতে পারিনি। তাদের অভাব এখনো আমরা পূরণ করতে পারিনি। এটা আমার মনোক্ষুণ্ণের কারণ। আমরা এখনো খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছি। তবে স্বপ্ন দেখি একদিন আমরা দাঁড়িয়ে সোজা হয়ে হাঁটব।
