পরীক্ষাভীতি দূর করার উপায়

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯, ১১:০৫ পিএম

শিক্ষাজীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর শব্দ ‘পরীক্ষা’। পরীক্ষা যতই ঘনিয়ে আসে, মনের ভেতর ভয় ততই জেঁকে বসে। দানা বাঁধে কত অজানা আশঙ্কা। পরীক্ষার হলে ঢুকেও সেই ভয় কাটে না। বাড়তেই থাকে। এসব ভয়ভীতিকে কখনো পাত্তা দিতে নেই। বরং শিক্ষার্থীর কাজ হলো পড়া এবং চেষ্টা করে যাওয়া, বাকিটা সৃষ্টিকর্তার হাতে সঁপে দেওয়া। আজ পরীক্ষাভীতি দূর করার কয়েকটি উপায় আলোচনা করব।

ফোনের সব নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা

মোবাইল এই প্রজন্মের প্রাত্যহিক জীবনের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও আমাদের জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে। ফেইসবুকের রঙিন জগতে একবার ঢুকে পড়লে অল্প সময়ের মধ্যে বের হয়ে আসা অনেকটা দুঃসাধ্য ব্যাপার। আর এভাবে অহেতুক কাজে সময় ব্যয় করলে পরীক্ষাভীতি কাজ করবেই। তাই পরীক্ষার আগে মোবাইলের সব নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা উচিত। এতে পড়াশোনা যেমন চলবে ঠিকঠাক, তেমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিরূপ প্রভাবও পড়বে না।

রুটিনের ব্যাকআপ রাখা

পরীক্ষার রুটিন একটি অতি প্রয়োজনীয় বিষয়। রুটিনের কপি নিজের কাছে রাখার পাশাপাশি পরিবারের অন্য সদস্যের কাছেও দিয়ে রাখা ভালো। এতে করে পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কোনো ভুল হলে তারা ধরিয়ে দিতে পারবে। এক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আরেক পরীক্ষা দিতে হবে না।

পরীক্ষার দিনের জন্য চেকলিস্ট তৈরি করা

পরীক্ষার হলে যাওয়ার ঠিক আগের সময়টা বেশ গোলমেলে। এ সময়টায় কেন যেন নিজেকে নিয়ে বড্ড সংশয়ে পড়তে হয়। পরীক্ষার হলে প্রয়োজনীয় সব উপকরণ একসঙ্গে ঠিক করে গুছিয়ে নেওয়ার পরও কেন যেন সংশয় থেকেই যায়। এ সমস্যা দূর করতে আগেভাগেই বানিয়ে নিতে হবে একটি চেকলিস্ট, যেখানে প্রয়োজনীয় সব উপকরণের নাম লেখা থাকবে।

অতিরিক্ত খাতা নিয়ে রাখা

পৃষ্ঠাসংখ্যা বেশি হলে নম্বর বেশি পাওয়া যায় না। উত্তর যথাযথ হলেই বেশি নম্বর পাওয়া যায়। তাই লেখার আকার বাড়িয়ে বেশি পৃষ্ঠায় লেখা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তবু অনেকের লেখা আদতেই বড় হয়। তাদের জন্য অতিরিক্ত খাতার প্রয়োজন হয়। যাদের অতিরিক্ত খাতা নিতে হয়, তারা যেন আগেভাগেই শিক্ষকের কাছ থেকে অতিরিক্ত খাতা চেয়ে নেয়। এতে মনে আর ভয় ও আশঙ্কা বিরাজ করবে না।

আসরারুল হক

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত