অনেক নাটকীয়তার পর বাংলাদেশ দলের পাকিস্তান সফর চূড়ান্ত হয়েছে। তিন ধাপে পাকিস্তানে গিয়ে তিনটি টি-টোয়েন্টি, দুটি টেস্ট ও একটি ওয়ানডে খেলবে বাংলাদেশ।
তবে এফটিপি অনুযায়ী দ্বিপাক্ষিক এই সিরিজে কোনো ওয়ানডে ছিল না। বাড়তি এই ম্যাচে যোগ হওয়ায় সবার কৌতূহলের শেষ নেই। আবার আছে সমালোচনাও। যেখানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) শুধু মাত্র টি-টোয়েন্টি খেলতে রাজি ছিল, সেখানে তিন দফার এই সিরিজে টেস্টের সঙ্গে এখন ওয়ানডে খেলতেও রাজি হলো কেন?
বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বুধবার দুবাই থেকে ফিরে নানা কৌতূহলই মিটিয়েছেন। বিমানবন্দরে বিসিবি প্রধান জানিয়েছেন, তিন দফা সিরিজ আয়োজনে পিসিবির যে আর্থিক ব্যয় বাড়ছে, সেটি পুষিয়ে দিতেই বাড়তি ওয়ানডে খেলতে রাজি হয়েছে বিসিবি।
‘পাকিস্তানের বেশ লস হচ্ছে (তিন ধাপে সিরিজ আয়োজন করায়)। পাকিস্তানে গিয়ে পাকিস্তানের মাটিতে খেলার আগে আমাদের একটা প্র্যাকটিস ম্যাচও দরকার। ওরা বলেছিল টি-টোয়েন্টি করা যায় কিনা। টি-টোয়েন্টি হলে তাদের আয় কিছুটা পোষাবে।’- বলেন বিসিবি সভাপতি।
তবে টি-টোয়েন্টির চেয়ে ওয়ানডে খেলাটা কার্যকরী হবে বলে মনে করেছে বিসিবি। তাই বিসিবির চাওয়াতেই হচ্ছে ওয়ানডে ম্যাচটি, ‘আমাদের কাছে মনে হয়েছে টি-টোয়েন্টির চেয়ে একটা ওয়ানডে ম্যাচ হলে অনুশীলনটা একটু ভালো হবে।’
মঙ্গলবার দুবাইয়ে আইসিসির সভার ফাঁকে বিসিবি সভাপতি ও পিসিবি চেয়ারম্যান এহসান মানির মধ্যে এই সিরিজ নিয়ে সমঝোতা হয়। যার মধ্যস্থতায় ছিলেন আইসিসি চেয়ারম্যান শশাঙ্ক মনোহর।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রথম ধাপে বাংলাদেশ পাকিস্তান সফরে যাবে শুধু মাত্র টি-টোয়েন্টি খেলতে। ২৪-২৭ জানুয়ারি হবে এই সফর। এরপর ফেব্রুয়ারিতে দ্বিতীয় ধাপে পাকিস্তানে গিয়ে খেলবে একটি টেস্ট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এই ম্যাচ ৭-১১ ফেব্রুয়ারি রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ তৃতীয় ও শেষ ধাপে পাকিস্তান সফর করবে এপ্রিলে। এ দফায় একটি ওয়ানডে ও একটি টেস্ট খেলবে দুই দল। ৩ এপ্রিল করাচিতে ওয়ানডে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। একই ভেন্যুতে টেস্ট হবে ৫ থেকে ৯ এপ্রিল।
