দল বেঁধে ভোটকেন্দ্রে গেলে সরকারের ‘অপকৌশল’ গণজোয়ারে ভেসে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইশরাক হোসেন।
মেয়র নির্বাচিত হলে তিনি নগরবাসীর সমস্যা সমাধানে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনারও আশ্বাস দেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, গত ১৩ বছরে ঢাকা ধ্বংস করা হয়েছে। বাস অনুপযোগী এই শহরকে বাসযোগ্য করে গড়ে তোলাই হবে প্রধান কাজ।
শনিবার কোতয়ালী থানাধীন বাংলাবাজার চৌরাস্তা মোড় থেকে গণসংযোগ শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি বলেন, আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়াসহ ঢাকাকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেব। ‘ক্লিন ঢাকা’ গড়ে তুলতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে।
এ সময় অন্যদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, এসএম জিলানী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সিনিয়র সহসভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, রফিক শিকদার, শরিফ হোসেনসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী এবং স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী গণসংযোগে অংশ নেন।
অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র সাদে হোসেন খোকার বড় ছেলে ইশরাক হোসেন নগরবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আগামী ৩০ তারিখ আপনারা নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যাবেন। আপনারা দল বেঁধে ভোটকেন্দ্রে গেলে সরকারের সব অপকৌশল গণজোয়ারে ভেসে যাবে।
তিনি বলেন, আমি গতকাল (শুক্রবার) কদমতলী, শ্যামপুর, যাত্রাবাড়ী এলাকার বেহাল অবস্থা দেখেছি। এই চিত্র শুধু যাত্রাবাড়ী, কদমতলী অথবা শ্যামপুরেরই নয়। এটা পুরো ঢাকারই চিত্র। এর কারণ, বর্তমান ক্ষমতাসীনরা অনির্বাচিত। ভোটে নির্বাচিত হলে জনগণের কাছে সরকারের দায়বদ্ধতা থাকে। অনির্বাচিত সরকার ও মেয়রের জবাবদিহি না থাকায় ঢাকার এই বেহাল অবস্থা।
