রাজকীয় উপাধি ছাড়ার মাধ্যমে ব্রিটিশ রাজপরিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছিন্নই হয়ে গেলেন ডিউক অব সাসেক্স প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী ডাচেস অব সাসেক্স মেগান মার্কেল।
বাকিংহাম প্যালেস ঘোষণা দিয়েছে, তারা দুজন ‘হিজ/হার রয়্যাল হাইনেস’ বা এইচআরএইচ টাইটেল ব্যবহার করবেন না।
সোমবার রাজপরিবারের সদস্যরা নিজেদের ভেতর আলোচনার পর এই ঘোষণা দেন। এখন থেকে প্রিন্স হ্যারি-মেগান তাদের রাজকীয় উপাধি ব্যবহার করতে পারবেন না।
এ ছাড়া সরকারি বাসস্থানে থাকা এবং এর সংস্কার বাবদ খরচ হওয়া ৩.১ মিলিয়ন ডলারও পরিশোধ করতে হবে তাদের, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২৫ কোটি টাকারও বেশি।
সম্প্রতি প্রিন্স চার্লস ও প্রিন্সেস ডায়ানার ছোট ছেলে প্রিন্স হ্যারি এবং তার স্ত্রী মেগান রাজপরিবারের ‘সিনিয়র রয়্যাল’ উপাধি ছাড়ার ঘোষণা দেন। তারা স্বাবলম্বী হয়ে বেঁচে থাকতে চান। সংসারের খরচ তারা নিজেরাই আয় করবেন।
নাতি প্রিন্স হ্যারির এমন সিদ্ধান্তে হতাশ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন ব্রিটিশ রানি। তিনি ছাড়াও ভাই প্রিন্স উইলিয়ামসহ রাজপরিবারের কারও থেকে পরামর্শ নেননি প্রিন্স হ্যারি। তাদের পুরো সিদ্ধান্তে বাকিংহাম প্যালেস মর্মাহত হয়।
রাজপরিবারে নানা ঘটনাপ্রবাহের পর রানি এলিজাবেথ তাদের এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সম্মতি দেন।
তবে হ্যারি-মেগান তাদের বাসস্থান ফ্রগমোর কটেজেই থাকতে পারবেন। কিন্তু উইন্ডসর ক্যাসেল সংলগ্ন কটেজটির ব্যবস্থাপনা খরচসহ সকল ব্যয় তাদের নিজেদের পকেট থেকে দিতে হবে। তার মানে সরকারি খরচে থাকা খাওয়ার সুবিধা আর পাচ্ছেন না এই দম্পতি।
এদিকে কটেজটি সংস্কারে সরকারি কোষাগার থেকে যে ৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হয়েছে সেটিও পরিশোধ করতে হবে হ্যারি-মেগানকে।
তবে হ্যারি-মেগান আনুষ্ঠানিক এক বিবৃতিতে জানান, ফ্রগমোর কটেজের সংস্কার খরচ ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দ্রুত পরিশোধের ব্যাপারে আশাবাদী তারা।
