বিএনপির নির্বাচনে জেতার কোনো লক্ষণ নেই: কাদের

আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০২০, ০৯:০৩ পিএম

আসন্ন ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হওয়ার কোনো লক্ষণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, ‘বিএনপি জয়ের জন্য নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না, বরং নির্বাচনকে বিতর্কিত করার জন্য অংশ নিচ্ছে। তাদের এসব আচরণ, কথাবার্তায় একটা বিষয় দিবালোকের মতো পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে, তারা যে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে এটা লোক দেখানো’।

রবিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব বলেন।

ইভিএম নিয়ে বিএনপি বিষোদগার করছে জানিয়ে কাদের বলেন, ‘ইভিএমের বিরুদ্ধে যতটা না তার চেয়ে বেশি হচ্ছে নির্বাচনকে বিতর্কিত করার জন্য। তারা ইভিএমকে বিতর্কিত করে তাদের নির্বাচনে পরাজয়ের যে আভাস সেটাকে এড়ানোর জন্য এ বিষয়গুলোকে উপস্থাপন করছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, আসলে তারা (বিএনপি) নির্বাচনটাকে বিতর্কিত করতে চায়, প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, তাদের নির্বাচনে জেতার কোনো লক্ষণ নেই। পরাজয় নিশ্চিত জেনে তারা আজকে আবোল-তাবোল বলছে। কখনো নির্বাচন কমিশনকে, কখনো ইভিএম নিয়ে, কখনো সরকারের ভূমিকা নিয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য রেখে যাচ্ছে। এগুলো আসলে নির্বাচনটাকে বিতর্কিত করার টার্গেট এবং সেটাই তারা করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ফার্স্ট ট্র্যাক প্রজেক্টের প্রসঙ্গে সড়কমন্ত্রী বলেন, ‘ফার্স্ট ট্র্যাকে পদ্মাসেতু এবং মেট্রোরেল আছে; আমাদের দুটি প্রজেক্ট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অগ্রগতি ভালো। বঙ্গবন্ধু টানেল, মাতারবাড়ী, রূপপুর, পায়রা বন্দর নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’

বড় প্রকল্পে সময়ও বাড়ে টাকাও বাড়ে এ বিষয়ে কাদের বলেন, আমাদের আর টাকা বাড়ছে না।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপনে চীনের আগ্রহের বিষয়ে রোহিঙ্গাদের ফেরা নিয়ে আশা কমে যাচ্ছে কিনা এমন সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করার মতো বিষয় এখনো দেখছি না। আমাদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করার মতো কিছু হলে আমরা অবশ্যই অবজেকশন রাইজ করব।’

থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে কাদের বলেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং এমআরটি লাইন-৬ এর ৩ ও ৪ নম্বর প্যাকেজ বাস্তবায়ন করছে ইতাল-থাই। এর অগ্রগতি নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়েছে। তাদের আরো দ্রুত করতে বলেছি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত