একুশে পদক মনোনয়নকে 'হাস্যকর' বললেন বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:৩৮ পিএম

বুধবার ঘোষিত একুশে পদকের সমাতীব্র সমালোচনা করেছেন এর সাবেক মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।  

শুক্রবার তিনি এর সমালোচনা করে ফেইসবুকে লেখেন, 'এবার একুশ পদক বড়ই হতাশাব্যজ্ঞক হয়েছে ।যারা এ পুরস্কার কমিটিতে ছিলেন তাদের সাহিত্য সংস্কৃতি সম্মন্ধে কোন ধারণা নেই । তিন চারটি ছাড়া অন্যগুলো হাস্যকর ।কে সাহিত্যিক , কে মুক্তিযোদ্ধা কে একেবারেই এ পুরস্কার পেতে পারেন না সে সম্পর্কে বিচারক/বাছাইকারীদের অজ্ঞতা পর্ব্বত প্রমাণ । এতে সরকারের বদনাম হয় । সরকারকে বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে' ।

এবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ২০ জনকে এবার একুশে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়। সেই সঙ্গে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটও পাচ্ছে ২০২০ সালের একুশে পদক।

বুধবার সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এবারের পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের নাম প্রকাশ করে।
ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে সরকার ১৯৭৬ সাল থেকে প্রতি বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে।

পদক পেতে যাওয়া বিশিষ্ট নাগরিকেরা হলেন ভাষা আন্দোলনে মরহুম আমিনুল ইসলাম বাদশা, শিল্পকলায় (সংগীত) ডালিয়া নওশিন, শঙ্কর রায় ও মিতা হক, শিল্পকলায় (নৃত্য) মো. গোলাম মোস্তফা খান, অভিনয়ে এস এম মহসীন, চারুকলায় শিল্পী ফরিদা জামান, মুক্তিযুদ্ধে মরহুম হাজী আক্তার সরদার, মরহুম আব্দুল জব্বার ও মরহুম ডা. আ আ ম. মেসবাহহুল হক (বাচ্চু ডাক্তার), সাংবাদিকতায় জাফর ওয়াজেদ (আলী ওয়াজেদ জাফর), গবেষণায় ড. জাহাঙ্গীর আলম ও হাফেজ ক্বারী আল্লামা সৈয়দ মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান নিজামী শাহ, শিক্ষায় অধ্যাপক বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া, অর্থনীতিতে অধ্যাপক শামসুল আলম, সমাজসেবায় সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ভাষা ও সাহিত্যে নুরুন নবী, মরহুম সিকদার আমিনুল হক এবং বেগম নাজমুন নেসা পিয়ারি, চিকিৎসায় অধ্যাপক সায়েবা আখতার।

এ ছাড়া গবেষণায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত