সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মাইজবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার ছাত্রীকে অশ্লীল ভিডিও দেখতে বাধ্য করার অভিযোগে আটক প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনকে (৪৬) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে শিক্ষা বিভাগ। এদিকে গত মঙ্গলবার রাতে এক ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে বুধবার পুলিশ ওই মামলায় আটক শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠালে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
এ নিয়ে ‘ছাত্রীদের অশ্লীল ভিডিও দেখতে বাধ্য করার অভিযোগ, শিক্ষককে পুলিশে দিল গ্রামবাসী’ শিরোনামে দেশ রূপান্তরে একটি খবর ছাপা হয়। বুধবার দুপুরে অভিযুক্ত শিক্ষককে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শুভদীপ পালের আদালতে হাজির করলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেয়। এ ছাড়া আদালত ওই বিদ্যালয়ের চার ছাত্রীর ২২ ধারায় জবানবন্দীও নিয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান দেশ রূপান্তরকে জানান, এ ঘটনায় মাইজবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এখন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত মঙ্গলবার মাইজবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের ছাদে ডেকে নিয়ে পর্নো ভিডিও দেখাতে বাধ্য করার অভিযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনকে পুলিশে ধরিয়ে দেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী। মঙ্গলবার বিকেলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী প্রথমে বিদ্যালয় ঘেরাও দিয়ে ওই শিক্ষককে মারধরের চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
