থানায় ওসির কিলঘুষি খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি যুবলীগ নেতা

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০২:২৯ পিএম

নওগাঁর নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ এক যুবলীগ নেতাকে থানার মধ্যেই মারধর করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

রবিবার বিকেল ৪ টার দিকে নিয়ামতপুর থানায় ওসির কক্ষে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

ওসির পিটুনিতে আহত ওই যুবলীগ নেতার নাম ইমরান হোসেন। তিনি উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি।

ঘটনার পর রবিবার রাত ৯টার দিকে দফায় দফায় বৈঠকের পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জয়া মারিয়া পেরেরা সমঝোতা করে দেন বলেও জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যুবলীগ নেতা ইমরানের চাচাতো বোনের সঙ্গে এক ছেলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তার সঙ্গে দেখা করতে রবিবার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের হারিপুর গ্রামে যায় ওই ছেলে।

ছেলে এবং মেয়ের দেখা করার বিষয়টি মেয়ের পরিবারের লোকজন টের পায়। এ নিয়ে ইমরানের পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাঁধে। পরে বিষয়টি থানা পুলিশ পর্যন্ত গড়ায়।

ওই ছেলের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করতে চায় একপক্ষ। কিন্তু সেটি ইমরান না করতে দিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনার মধ্যে দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করতে চান।

এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার জন্য ওসি আবুল কালাম আজাদ তাদেরকে চাপ দেন। থানায় অভিযোগ করবে না বলে ইমরান জানিয়ে দেন।

রবিবার বিকেল ৪টার দিকে ওসি কালাম তার কক্ষে ইমরানের ওপর চড়াও হয়ে কিলঘুষি ও চড়-থাপ্পড় মারে। সেখান থেকে বিকেল ৫টার দিকে ইমরান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন।

রাত ৯টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে ইউএনও জয়া মারিয়া পেরেরা ইমরান ও ওসি কালামের মধ্যে সমঝোতা করে দেন।

এ ব্যাপারে কথা বলতে নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত