নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে ‘গভর্নেন্স চ্যালেঞ্জ ২০২০’র উদ্বোধনী

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৭:৫৬ পিএম

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির এথিক্স অ্যান্ড ডাইভারসিটি ক্লাবের সহযোগিতায় মঙ্গলবার ‘গভর্নেন্স চ্যালেঞ্জ ২০২০’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের দু শ’র বেশি শিক্ষার্থীদের গ্রুপ এই চ্যালেঞ্জে অংশ নিতে গঠন করা হয়েছে। এ প্রতিযোগিতার ফাইনাল এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হবে।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক ও দৈনিক কালের কন্ঠের সম্পাদক জনাব ইমদাদুল হক মিলন, এটিএন বাংলার প্রধান নির্বাহী সম্পাদক জনাব জ.ই. মামুন এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান লায়ন বেনজীর আহমেদ।

তাজুল ইসলাম বলেন, জনগণ দেশের মালিক। আইন তৈরি করেছে জনগণ। সেই আইন দিয়ে বিচার করবে বিচার বিভাগ। রাষ্ট্রীর শাসন ব্যবস্থার কাজ সরকারকে সাহায্য করা। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করার মাধ্যমেই রাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়।

এ সময় তিনি বলেন, জাতির জনক ও সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু বাংলাদেশকে স্বাধীনই করেননি; বরং তিনি দেশের জন্য স্বপ্নও দেখেছেন এবং সেই স্বপ্নপূরণ করার জন্য কাজও শুরু করেছিলেন।

তিনি আরো বলেছেন, সবাই এক সঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে আমরা দেশকে পরিবর্তন করতে পারব।

ইমদাদুল হক মিলন বলেন, বাংলাদেশ আজ পর্যন্ত যা কিছু অর্জন করেছে তা তরুণ সমাজের মাধ্যমেই অর্জিত। দেশ বদলায় তরুণরা। সুতরাং, দেশ পরিবর্তন তরুণ সমাজের মাধ্যমেই সম্ভব।

তিনি আরো বলেন, যদি কেউ নিজেকে পরিবর্তন করতে পারে তবে সেই ব্যক্তি তার পরিবার, সমাজ এবং দেশকে পরিবর্তন করতে পারবে। পরিবর্তনের সূচনা হবে নিজের মধ্যে থেকে।

বেনজীর আহমেদ বলেন, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২টি স্টুডেন্ট ক্লাব আছে। তার মধ্যে ‘এথিক্স অ্যান্ড ডাইভারসিটি’ ক্লাব অন্যতম। আজকের অনুষ্ঠানের স্লোগান হচ্ছে ‘চেইঞ্জ বাংলাদেশ’। আমি বিশ্বাস করি, তরুণ সমাজই পারে বাংলাদেশের পরিবর্তন করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলতে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের  সদস্য, জনাব এম. এ. কাসেম এবং জনাব এম. এ. হাসেম, উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. ইসমাইল হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত