বেনাপোল বন্দর দিয়ে বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। তবে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত অব্যাহত আছে।
ফলে বন্দর এলাকায় কয়েক হাজার পণ্য বোঝাই ট্রাক আটকে আছে। পচনশীল পণ্য নষ্ট হওয়ায় আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা বেনাপোল বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের স্টাফদের কাগজপত্র নিয়ে ভারতে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় মঙ্গলবার সকাল থেকে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়।
বুধবার সকালে কাস্টমস, বন্দর ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টসহ অন্যান্য ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো ভারতের কাস্টমস ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেও কোন সমাধান হয়নি।
ধারণা করা হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সফরের কারণে সাময়িকভাবে বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের ভারতে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
ভারতীয় পেট্রাপোল বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী কার্তিক চন্দ্র জানান, হঠাৎ করে বিএসএফ এর বাধার মুখে পড়ে আমাদের সদস্যরা।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান স্বজন জানান, বিএসএফ সদস্যরা সিঅ্যান্ডএফ স্টাফদের পেট্রাপোল বন্দরে ঢুকতে না দেওয়ায় মঙ্গলবার থেকে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। তবে কি কারণে তারা স্টাফদের ভারতে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না, তা এখনো জানা যায়নি।
তিনি জানান, আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বন্দরের অন্য কাজ কর্ম স্বাভাবিক রয়েছে। পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াতও অব্যাহত আছে।
বেনাপোল কাস্টমস এর সহকারী কমিশনার উত্তম চাকমা জানান, দুই দেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফরা যাতে বন্দর এলাকায় প্রবেশ করতে পারে সে জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে দেশটিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সফরের কারণে সীমান্ত জুড়ে কঠোর নজরদারির ফলে বাংলাদেশ থেকে কোন সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারীকে ভারতে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।
