চীনের সঙ্গে রীতিমতো ‘পাল্লা’ দিয়ে বাড়ছে দক্ষিণ কোরিয়ায় নভেল করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) আক্রান্তদের সংখ্যা। দেশটিতে নতুন করে আরও ৩৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সব মিলিয়ে সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৫২৫। মারা গেছেন ১৭ জন।
চীনের বাইরে অন্য কোনো দেশে এত মানুষ ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হননি। চীনে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৭৩ জন। মারা গেছেন ৩৫ জন। চীনে মোট মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৮৭০ জন।
চীনে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন হুবেই প্রদেশে। গত ডিসেম্বরে এই অঞ্চল থেকেই ভাইরাসটি ছড়িয়েছে। হুবেইতে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৭৬১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন যারা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের মধ্যে ৯০ শতাংশ ডেইগু শহরের।
করোনাভাইরাস শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সংক্রমণ। এই রোগের কোনো প্রতিষেধক কিংবা ভ্যাকসিন এখনো তৈরি হয়নি। মৃতদের অধিকাংশই বয়স্ক যাদের আগে থেকেই শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত জটিলতা ছিল।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। এটি মোড় নিতে পারে নিউমোনিয়া, রেসপিরেটরি ফেইলিউর বা কিডনি অকার্যকারিতার দিকে। পরিণতিতে ঘটতে পারে মৃত্যু।
এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। কারও ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও দেখা দিতে পারে। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। সাধারণ ফ্লুর মতোই হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়াতে পারে এ রোগের ভাইরাস।
