দীর্ঘদিন ধরেই স্বামী অনিকের সঙ্গে বনিবনা হচ্ছিল না চিত্রনায়িকা শাবনূরের। কয়েক বছর ধরেই আলাদা থাকছিলেন এই চিত্রনায়িকা। গত ২৬ জানুয়ারি স্বামী অনিককে তালাক নোটিশ পাঠান শাবনূর। শাবনূরের পাঠানো ওই তালাক নোটিশের খবর সম্প্রতি জনসম্মুখে চলে আসে। বেশ কিছু গণমাধ্যম শাবনূরের বিচ্ছেদের খবরটি ফলাও করে প্রচার করে।
এদিকে বিচ্ছেদের নোটিশ ফাঁস হয়ে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শাবনূর। গণমাধ্যমকে শাবনূর বলেন, ‘আমি তালাকের যে নোটিশ পাঠিয়েছি সেটা অনুমতি ছাড়া আমার আইনজীবী কোনোভাবেই প্রকাশ করতে পারে না। আইনজীবী এটা কোনোভাবেই করতে পারেন না।’
এদিকে শাবনূর চান না তার বিচ্ছেদ নিয়ে কেউ কোনো কথা বলুক। গণমাধ্যমকে শাবনূর বলেন, ‘আমার বিচ্ছেদ একান্তই আমার ব্যক্তিগত। এটা নিয়ে কেউ কথা না বললেই আমি খুশি হব। তাই আমি বিষয়টার আইনগত সমাধান চেয়ে আইনজীবীর দ্বারস্থ হই। আমার আইনজীবীর উচিত ছিল, পেশাগত সততা বজায় রাখার। আমি একটা দরখাস্ত দিয়েছি, সেটা যদি আমাকে না জানিয়ে জনসমক্ষে প্রকাশ করা, অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি বিষয়টি নিয়ে আইনজীবীর সঙ্গে কথাও বলব, তিনি কেন এমনটা করলেন। একজন আইনজীবী হিসেবে এটা তিনি খুবই অন্যায় করেছেন।’
এদিকে আইনজীবী কাওসার আহমেদ জানিয়েছেন তিনি নোটিশটি প্রচার করেননি। কীভাবে সেটা প্রকাশ করা হয়েছে সে বিষয়ে জানেন না।
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে করেন শাবনূর ও অনীক মাহমুদ। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর এই দম্পতি ছেলেসন্তানের মা-বাবা হন।
