ফরিদপুরের সালথায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ৫ পুলিশসহ ২৫ জন আহত হয়েছে।
সোমবার রাতে উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের ইউসুফদিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের নগরকান্দা স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে।
সালথা থানার ওসি (তদন্ত) অফিসার সুব্রত গোলদার বলেন, স্থানীয় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ওয়াহিদুজ্জামান ও একই এলাকার এনায়েত হোসেনের সমর্থদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
তিনি বলেন, এই সংঘর্ষে এসআই মোস্তফাসহ ৫ জন পুলিশ আহত হয়েছে। এ ঘটনায় মো. ওয়াহিদুজ্জামান ও এনায়েত হোসেনসহ ৩০ জন ও অজ্ঞাতনামা ২ শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে।
স্থানীয়রা জানায়, পূর্বশত্রুতার জের ধরে সোমবার সন্ধ্যায় ইউসুফদিয়া বাজারে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ওয়াহিদুজ্জামানের সমর্থক রাজিবের সঙ্গে প্রতিপক্ষ এনায়েত হোসেনের সমর্থকদের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এরই সূত্রধারে রাত ৮টার দিকে উভয় দলের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র ঢাল-কাতরা, সড়কি-ভেলা, রামদা ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে রাবার বুলেট, টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে।
দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় ৫ পুলিশসহ ২৫ জন আহত হয়। আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ, সদর হাসপাতাল ও নগরকান্দা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
মো. এনায়েত হোসেন বলেন, আমি বাড়ি যাওয়ার সময় ওয়াহিদুজ্জামানের সমর্থকরা আমার উপর হামলা চালানোর চেষ্টা করলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
এতে আমার সমর্থক আনিচ, সাব্বির, শরীফুল, রিপনসহ ১০ জন আহত অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ বিষয়ে সাবেক উপজেলার চেয়ারম্যান মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, আমার সমর্থক রাজীবসহ কয়েকজন লোক ইউসুফদিয়া বাজারে গেলে এনায়েতের লোকজন তাদের উপর হামলা করে। এ ঘটনা নিয়ে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে আমার সমর্থক ৭/৮ জন আহত হয়েছে। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
