করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মুখে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচগুলো পিছিয়ে দিতে বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফা’কে আবেদন জানিয়েছে দক্ষিণ আমেরিকা দেশগুলোর ফুটবল নিয়ন্ত্রণ সংস্থা কনমেবল।
করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে এরই মধ্যে এলোমেলো বিশ্ব ক্রীড়া সূচি। স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে খেলাধুলার অনেক ইভেন্ট। মরণঘাতী এই ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়াকে মহামারির পর্যায়ের বলে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও।
এই ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে অনেক দেশ লোকজনের ভ্রমণের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। কিন্তু চলতি মাসের শেষ দিকে ও আগামী মাসের শুরুর দিকে রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দলগুলোর কাতার বিশ্বকাপ ২০২২ এর বাছাই পর্বের ম্যাচ।
নিজেদের মাঠে ইকুয়েডরের বিপক্ষে খেলার পর ৩১ মার্চ লা পাসে বলিভিয়ার মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ দুটি উপলক্ষে মঙ্গলবার ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেন কোচ স্কালোনি।
২৮ মার্চ বলিভিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচ; এরপর ১ এপ্রিল পেরুর মাঠে খেলতে যাবে তিতে দল। একই সময়ে রয়েছে কনমেবল অঞ্চলের অন্যান্য দেশের ম্যাচও।
ইউরোপীয় ক্লাবগুলোর হয়ে খেলার কারণে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের অনেক দেশের খেলোয়াড় রয়েছেন ইউরোপে। যেমন, আর্জেন্টিনার ঘোষিত ২৬ সদস্যের দলের ছয়জনই করোনার কারণে পর্যুদস্ত ইতালির বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে খেলছেন। তাই এসব খেলোয়াড়দের পাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা।
এমন অবস্থায় বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচগুলো পিছিয়ে দিতে আবেদন করল কনমেবল। তাদের চিঠিতে বলা হয়েছে, “দক্ষিণ আমেরিকান দলগুলো দলে ডাকা খেলোয়াড়দের পাওয়া নিয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে। কারণ অনেক খেলোয়াড় ইউরোপে খেলে। ওইসব দেশ থেকে আসার পর তাদের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ানোর উচ্চ ঝুঁকি থাকবে। তাই তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হতে পারে।”
ফিফাকে পাঠানো চিঠিতে ম্যাচের সূচি পিছিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে সম্মতি প্রকাশ করেছে কনমেবলের দশ সদস্য দেশই- আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, প্যারাগুয়ে, পেরু, উরুগুয়ে ও ভেনেজুয়েলা।
