বিদেশের মাটিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন

আপডেট : ১৮ মার্চ ২০২০, ০৩:০৪ এএম

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং মুজিববর্ষ উপলক্ষে পাঁচ বিদেশি অতিথি ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকার এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভান্ডারি, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং, জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এবং ওআইসির মহাসচিব ইউসুফ বিন আহমেদ আল-ওথাইমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং বিকেলে প্রধানমন্ত্রীকে টেলিফোন করে তাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে মুজিববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। এসময় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভুটানের জনগণও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছে। এক হাজার ‘ঘি’-এর প্রদীপ জ্বালিয়ে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর জন্য প্রার্থনা করা হয়েছে বলেও শেখ হাসিনাকে জানান ভুটানের প্রধানমন্ত্রী।

অন্যদিকে গতকাল ৫ প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির কাছে হস্তান্তর করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই ভিডিও বার্তাগুলো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রচার করা হবে। বিভিন্ন মিশনে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন ভারতের দিল্লিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মাদ ইমরান আলম আলোচনা সভায় বলেন, ‘আততায়ীর হাতে বঙ্গবন্ধুকে জীবন দিতে হয়েছে। কিন্তু তার দর্শন ও জীবনাদর্শ সবসময়ে বাঙালি জাতিকে উজ্জীবিত করবে।’ জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে মিশনে শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ওই মিশন বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করবে। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর ওপরে একটি কফিটেবিল বই প্রকাশ করবে বাংলাদেশ মিশন।

শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ মিশন বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। বঙ্গবন্ধুর জীবনের ওপর আলোকপাত করে রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ সবাইকে ‘সোনার বাংলা’ গঠনের জন্য বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখার আহ্বান জানান।

জন্মশতবার্ষিকীর সঙ্গে সংগতি রেখে আগামী ২২ মার্চ বাংলাদেশ দূতাবাস শ্রীলঙ্কার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে একশ শিশু-কিশোরকে কলম্বোতে সমবেত করছে, যারা প্রত্যেকে ক্যানসারে তাদের পিতা-মাতা হারিয়েছে। শ্রীলঙ্কার ক্যানসার কেয়ার সংগঠনের সহযোগিতায় ওই অনুষ্ঠানে ১০০ শিশু-কিশোরের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাদের আগামী এক বছরের শিক্ষা খরচের একাংশ।

উল্লেখ্য, ১৭ মার্চের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে করোনাভাইরাসের কারণে অনুষ্ঠানটি ছোট পরিসরে আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত