করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে নিজেদের সাবেক শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকারি হরচন্দ্র বালিকা বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরিতে গত রবিবার থেকে চলছে উৎপাদন কাজ।
বর্তমানে বাজার থেকে হ্যান্ড স্যানিটাজার উধাও হওয়ায় এ উদ্যোগ নেয় বিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী যারা বর্তমানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজে পড়াশোনা করছে তারাই এ স্যানিটাইজার তৈরি করছে।
তত্ত্ববাবধানে রয়েছেন হরচন্দ্র বালিকা বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক তৌহিদ হোসেন খান। সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল ও ক্যামিষ্ট্রি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ শাহ ইমরান।
প্রাথমিকভাবে ৫০ মিলি গ্রামের পাঁচ হাজার বোতল স্যানিটাইজার তৈরি করবে শিক্ষার্থীরা। এতে প্রায় আড়াই লাখ টাকা খরচ হবে। এগুলো জেলার উপজেলাগুলোর দোকানদারদের কাছে জনসাধারণদের ব্যবহারের জন্য বিক্রি করা হবে।
হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির ব্যাপারে হরচন্দ্র বালিকা বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক তৌহিদ হোসেন খান বলেন, “আমাদের বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রী বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল ও ক্যামিষ্ট্রি বিভাগের তৃতীয় বর্ষে অধ্যায়নরত আরিফা মিমের নেতৃত্বে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির কাজ চলছে। আর এ ব্যাপারে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল ও ক্যামিষ্ট্রি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ শাহ ইমরান।”
“আমরা চাচ্ছি জেলার সকল দোকানদার আমাদের তৈরি হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রি করুক। আমাদের তৈরি এ হ্যান্ড স্যানিটাজার জীবাণুনাশে পুরোপুরি কার্যকরী। আশা করছি দু-এক দিনের মধ্যেই আমাদের তৈরিকৃত হ্যান্ড স্যানিটাইজার বাজারজাত করতে পারব। মুলত দেশের এই সংকটকালীন মুহুর্তে এই উদ্দ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জন্য ঝালকাঠি বণিক সমিতিসহ সচেতন মহলকে এই কাজে সহযোগীতা করার জন্য আহবান জানাচ্ছি।”
