রাজধানী ঢাকার কাছেই নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র। এটি চনপাড়া বস্তি হিসেবে পরিচিত। বস্তির প্রায় দেড় লাখ মানুষ বর্তমানে করোনারভাইরাসের কারণে অত্যন্ত ঝুঁকিতে রয়েছে। এখানকার অধিকাংশ লোক অল্পশিক্ষিত ও নিম্নআয়ের হওয়ায় তারা করোনার বিষয়ে তেমন সচেতন নয়।
ঢাকার খুব কাছে বালু-শীতলক্ষ্যা নদীষেঁষা ওয়াসার ১২৬ একর জমির ওপড় চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। ১৯৭২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নদীভাঙনকবলিত, অসহায়, দরিদ্র মানুষের জন্য এখানে বসবাসের স্থান করে দেন। এরপর থেকে চনপাড়ায় লোকসংখ্যা বাড়তে থাকে।
স্থানীয় কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, চনপাড়ায় প্রায় দেড় লাখ লোকের বসবাস। ঘিঞ্জি পরিবেশ, স্বাস্থ্যসম্মত পয়ঃনিষষ্কাশনব্যবস্থা না থাকাসহ বিভিন্ন কারণে চনপাড়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি।
স্বাস্থ্যকর্মী ও স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা বলছে, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে রূপগঞ্জে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে এই বস্তি। করোনার বিষয়ে সচেতন নয় বস্তির ৮০ শতাংশ মানুষ। করোনা প্রতিরোধে সরকার মানুষকে ঘরে অবস্থান ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে বললেও তা মানছে না বস্তিবাসী।
সম্প্রতি সরেজমিন দেখা যায়, বস্তির প্রতিটি গলিতে রয়েছে ফুচকা, চটপটি, ঝালমুড়ি, আচারের ভ্রাম্যমাণ দোকান। এ ছাড়া রয়েছে অসংখ্য দোকানপাট। একেকটি দোকানে জিনিস কিনতে ভিড় করেছে ১০-১২ জন। এ ছাড়া প্রতিদিনই বস্তিতে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে বাসা ভাড়া নেয়। এখানে দোকানিদের পাশাপাশি বেশির ভাগ মানুষকে মাস্ক ছাড়া দেখা গেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম বলেন, চনপাড়া এলাকাটি ঝুঁকিতে রয়েছে।
