কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গতকাল বুধবার দুপুরে ৪০টি পারসোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) এসেছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে হাসপাতাল রোগীশূন্য থাকলেও গত বুধবার ৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
তবে মঙ্গলবার সকালে বহির্বিভাগে ৪০ থেকে ৫০ জন রোগী সেবা নেন। ভর্তি থাকা একমাত্র রোগী নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত মাইসা আক্তারকে (৭ মাস) মঙ্গলবার বিকেলে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে সন্ধ্যা থেকে ৫০ শয্যার এ হাসপাতালটি রোগীশূন্য হয়ে পড়ে।
মাইসার মা বলেন, করোনাভাইরাসের ভয়ে আত্মীয়স্বজন কেউ তাকে দেখতে হাসপাতালে আসেননি। রোগীশূন্য হাসপাতালে শিশুটিকে নিয়ে অবস্থান করতে ভয় পাচ্ছিলেন। পরে শিশুটিকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এখানে চিকিৎসকরা নিজেদের কেনা রেইনকোট পরে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। আর নার্সরা দায়িত্ব পালন করছিলেন সুরক্ষা পোশাক ছাড়াই।
