জানুয়ারি থেকেই করোনা মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে থাকেন দাবি করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ফলে আজ বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ভালো আছে।
রবিবার দুপুরে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-আইইডিসিআরের অনলাইন ব্রিফিংয়ে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চীনে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই প্রায় দুই মাস আগে অর্থাৎ জানুয়ারি মাস থেকে আমরা করোনা মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে থাকি। ফলে আজ বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ভালো আছে।
তিনি জানান, আগে শুধু আইইডিসিআর এ করোনা টেস্টের ব্যবস্থা ছিল, তবে এখন দেশের ১১টি কেন্দ্রে করোনাভাইরাস টেস্ট করা যাবে।
করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য দেশের সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে একটি করে করোনা কর্নার করতে বলা হয়েছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে এখন ৫০০ ভেন্টিলেটর রয়েছে। আরও সাড়ে ৩০০ শিগগিরই হাতে আসবে।
দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ইতোমধ্যে ৩ লাখ পিপিই বিতরণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিদিনই ২০/৩০ হাজার পিপিই আমরা পাচ্ছি এবং এপ্রিলের মধ্যে আরও ৫ লাখ পিপিই আসবে। সুতরাং পিপিই নিয়ে শঙ্কার কোনো কারণ নেই।’
জাহিদ মালেক বলেন, হাসপাতাল ছাড়া অন্যান্য সংস্থাকে পিপিই সরবরাহ করা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নয়। বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে দ্রুত পিপিই’র ব্যবস্থা করে তা বিতরণের জন্য তিনি তাদের প্রতি অনুরোধ জানান।
তিনি বলেন, করোনা চিকিৎসায় সারা দেশে হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে। শুধু ঢাকা বিভাগেই তিন হাজার বেড প্রস্তুত রয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে করোনা টেস্টের জন্য ৪৫ হাজার কীট রয়েছে। আরও ৮৫ হাজার কীট শিগগিরই হাতে আসবে বলে তিনি জানান।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্ধারিত ছুটির পর দেশের এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন।
ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক হাবিবুর রহমান জানান, ইতোমধ্যে সারাদেশের ৭১০ জন চিকিৎসককে করোনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
