করোনা পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির এবং উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় সাময়িকভাবে হলেও ৪জি মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট সেবা চালুর দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক ও এনজিও কর্মীরা।
ঢাকা এবং কক্সবাজার থেকে সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে মঙ্গলবার বিভিন্ন উন্নয়ন ও মানবিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে নিয়োজিত ৬০টি স্থানীয় এবং জাতীয় এনজিওর নেটওয়ার্ক কক্সবাজার সিএসওএনই এনজিও ফোরামের (সিসিএনএফ) একটি অনলাইন সংবাদ সম্মেলন এবং আলোচনা সভায় বক্তারা এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের আগমনের পরে সামাজিক শক্তিগুলোর যেভাবে উদ্যোগ নিয়েছিল, করোনা সংকট মোকাবিলায় একইভাবে উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
এতে অংশগ্রহণ করা উখিয়া--টেকনাফের সাংবাদিকরা রোহিঙ্গা শিবির এলাকা এবং উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় সাময়িকভাবে হলেও ৪জি মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট সেবা চালুর দাবি জানান। তারা আরও বলেন, এতে করে সবার পক্ষে করোনা সংক্রমণ ঠেকানোর প্রস্তুতি গ্রহণ এবং গুজব মোকাবিলা সহজ হবে। অন্যদিকে রোহিঙ্গাদের জন্য স্বাস্থ্য সেবা দেয়া সহজ হবে। সাংবাদিকরও সহজে সংবাদ সংগ্রহ এবং প্রেরণ করতে পারবেন ।
সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন সিসিএনএফের কো-চেয়ার কোস্ট ট্রাস্টের পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী। অংশগ্রহণ করেন পালসের আবু মোর্শেদ চৌধুরী, মুক্তি কক্সবাজারের বিমল দে সরকার, দুর্যোগ ফোরামের নঈম গওহর ওয়ারা, নাহাবের আব্দুল লতিফ খান, এডাবের জসিম উদ্দিন, এফএনবির রফিকুল ইসলাম।
আলোচনায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দূরত্বের বিষয়ে রোহিঙ্গা শিবির এবং স্থানীয় এলাকাগুলোতে ব্যাপক সচেতনতা ও কিছু মাত্রায় বাধ্যবাধকতা তৈরি করার বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার দরকার বলে উল্লেখ করেন বক্তারা। এছাড়া, রোহিঙ্গা শিবিরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সকল দর্শনার্থীদের এবং কর্মরতদের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা এবং কক্সবাজারের দিনমজুর এবং হোটেল শ্রমিক, পথশিশু, জেলেসহ নিম্ন আয়ের মানুষদের বিশেষ সহায়তা দেয়ার কথা বলা হয়।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে স্থানীয় এবং জাতীয় এনজিওগুলোতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।
