বৈশ্বিক মহামারী সৃষ্টির জন্য দায়ী নভেল করোনাভাইরাসের গঠনকে মিউজিকাল নোট বা স্বরলিপিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) গবেষকেরা। কাজটি শেষ হলে কভিড-১৯ রোগের ওষুধ বানানো আরও সহজ হবে।
যন্ত্রসঙ্গীতের সময় যে চিমিং বেল, ঠং ঠং শব্দ কিংবা ছন্দময় বাঁশির সুর শোনা যায় সেগুলো স্পাইকের মতো প্রোটিনের প্রতিনিধিত্ব করে।
প্রোটিনের মতো স্পাইকও অ্যামিনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে তৈরি হয়।
সায়েন্স ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সনিফিকেশন নামক নতুন একটি কৌশল প্রয়োগ করে বিজ্ঞানীরা নির্দিষ্ট অ্যামিনো এসিডকে মিউজিকাল স্কেলের একক নোটে নিচ্ছেন। এভাবে পুরো প্রোটিনকে স্বরলিপির মতো চিহ্নে রূপান্তর করা হচ্ছে।
কিন্তু বাস্তবে এই অ্যামিনো এসিড পেঁচানো আকৃতির থাকতে পছন্দ করে। তাই গবেষকেরা নোটগুলোর সময়কাল এবং ভলিউম পরিবর্তন করে ওই বৈশিষ্ট্য ক্যাপচার করছেন।
এখন প্রশ্ন হলো ভাইরাসের এই গঠনকে সংগীতের নোটে নেয়ার অর্থ কী?
স্বরলিপিতে রূপান্তর করা গেলে বিজ্ঞানীদের জন্য ওষুধ তৈরি করা সহজ হবে। প্রোটিনের কোন অংশে অ্যান্টিবডি বা ড্রাগ কার্যকর হতে পারে, সেটি নির্ধারণ করা তখন সময়ের ব্যাপার হয়ে যায়।
প্রোটিনের বিশ্লেষণে প্রচলিত যেকোনো পদ্ধতির চেয়ে এটিতে কম সময় লাগে।
