করোনাভাইরাদের মহামারির কারণে অন্যান্য সব খেলাধুলার মতো বন্ধ ফুটবলও। এই সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলাটিকে সহায়তায় অগ্রাধিকারমূলক তিনটি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফা’র প্রধান গিয়ান্নি ইনফান্তিনো।
অগ্রাধিকারমূলক বিষয় তিনটি হলো- জনসাধারণের স্বাস্থ্য, এই সংকটের সময়টাতে ক্লাবগুলোকে অর্থসহায়তা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সংকটে পড়েছে ইউরোপের নামীদামি ফুটবল ক্লাবগুলোও। এই সংকট কাটাতে খেলোয়াড়দের ৭০ শতাংশ কম বেতন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লা লিগার দুই জায়ান্ট ক্লাব বার্সেলোনা ও আতলেতিকো মাদ্রিদ। খেলোয়াড়দের ২০ শতাংশ কম বেতন দেওয়ার কথা ভাবছে রিয়াল মাদ্রিদও।
একই পথে হাঁটছে সেরি আ, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও বুন্ডেসলিগার ক্লাবগুলোও। ক্লাবগুলোর আর্থিক সংকট কাটাতে ফিফার তহবিলে জমানো অর্থ থেকে সহায়তা দিতে গভর্নিং বডি প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন ইনফান্তিনো।
গত বছর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায়, ফিফার কোষাগারে জমানো ক্যাশ অর্থ আছে ২৭০ কোটি ডলার।
ফিফা প্রধান বলেন, “আমরা এখন অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেক শক্তিশালী। পুঁজি বাজারে ফিফা দারুণ একটা সুনাম আছে। বিশাল এই রিজার্ভ আমাদের শক্ত একটি ভিতে দাঁড় হতে সহায়তা করেছে। তবে আমাদের রিজার্ভ ফিফার অর্থ নয়। এটা ফুটবলের অর্থ। যখন ফুটবল অভাবে পড়ে আমরা অবশ্যই চিন্তা করি, কিভাবে আমরা সাহায্য করতে পারি। এটা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য।”
“আপনাদের বুঝতে হবে যে, আমরা এই সংকটে থাকব। আমরা মিলে সমাধানগুলো বের করব। আপনারা কখনই একা হবেন না।”
বর্তমান পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্যের প্রাধান্যের বিষয়টিই সর্বাগ্রে বলে জানালেন ইনফান্তিনো, “একটা মানুষের জীবনও ঝুঁকিতে ফেলে কোনো ম্যাচ, কোনো প্রতিযোগিতা ও কোনো লিগ হবে না।...কোনো ঝুঁকি নেওয়ার চাইতে একটু বেশি অপেক্ষা করা ভালো হবে।”
