করোনায় বন্দী মানুষ, শহরে ঘুরে বেড়াচ্ছে প্রাণীরা

আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০২০, ০৬:৩৭ পিএম

করোনার সংক্রমণ এড়াতে মানুষ লকডাউনে গৃহবন্দী। এই সুযোগে ছোট্ট খরগোশ ছানাকে দেখা গেছে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের ব্যস্ত সড়ক পার হতে। লকডাউনের এক সপ্তাহর মাথায় এক পুমা আন্দিস পর্বত থেকে স্পেনের ব্যস্ততম সান্তিয়াগোতে ঘুরে গেল এক ফাঁকে। সব সময় ব্যস্ত থাকা বার্সেলোনায় ব্যস্ত আট লেনের সড়ক লকডাউনে ফাঁকা থাকায় উঁকিঝুঁকি দিয়ে গেল এক বুনো ভালুক।

এসব ঘটনা বিস্ময়কর বা অদ্ভুত হলেও সত্য এবং তাৎপর্যপূর্ণ।

image

গবেষকরা বলছেন, মানুষের অনুপস্থিতিতে পাল্টে যাবে প্রকৃতির বাস্তুসংস্থান। সৌদি আরবে অবস্থিত রেড সি রিসার্চ সেন্টারের প্রধান গবেষক কার্লোস দুয়ার্তের মতে, ২০৫০ সালের মধ্যে সমুদ্র বাস্তুসংস্থান পুনরুজ্জীবন পেতে পারে করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে। যেহেতু অনেকেই এখন মাছসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণী খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

যদিও এই মহামারির কারণে অর্থনৈতিক যে বিপর্যয় দেখা দেবে তা কাটিয়ে উঠতে প্রকৃতির ওপর আবার আঘাত আসবে। তবে এটা পরিষ্কার যে, মানুষ যদি এক ধাপ পিছিয়ে যায় তাহলে প্রকৃতি খুব দ্রুত এতে সাড়া দেয়।  

image

বিজ্ঞানীদের তথ্য মতে, ১৯৬৮ সালে  তিমির বাণিজ্যিক ব্যবহার বন্ধ হওয়ার পর বর্তমানে এর সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। ১৮৮০ সালে এলিফ্যান্ট সিল এর সংখ্যা ছিল ২০ যা বর্তমানে দুই লাখ।

image

শিকার বন্ধ বা পানি দূষণ কমে যাওয়ার কারণে সামুদ্রিক অনেক প্রাণী ফিরে আসবে।

তবে যেহেতু ভূমিতে মানুষ বাস করে ফলে সেখানে বাস্তুসংস্থান সেখানে প্রাণীর জন্য অনুকূল হওয়া কঠিন বেল জানান বিজ্ঞানী দুয়ার্তে।

সূত্র: ব্লুমবার্গ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত