কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার কাজীরবাম গ্রামে পল্লি চিকিৎসক কামরুল ইসলামের বাড়িটি লকডাউন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাস, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. আবদুল মালেক, ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম ভূঁইয়া ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাগণ লকডাউনের সময় উপস্থিত ছিলেন।
দুবাই বাজারে করোনা উপসর্গে মারা যাওয়া নির্মাণশ্রমিক আলী আক্কাছকে চিকিৎসা দেওয়ায় তার বাড়ি লকডাউন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাস জানান, গত ১০ এপ্রিল কাজিরবাম গ্রামের পল্লি চিকিৎসক কামরুল ইসলাম তার দুবাই বাজারে নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলা ওন্ধাইন্না গ্রামের নির্মাণ কাজের শ্রমিক আলী আক্কাছ শরীর ব্যাথার জন্য এই চিকিৎসকের কাছ থেকে ওষুধ নেন। পরে ১২ এপ্রিল তারিখে সেই শ্রমিক করোনাভাইরস উপসর্গ নিয়ে মারা যায়।
শ্রমিককে চিকিৎসা দেওয়া নোয়াখালীর আরো দুই পল্লি চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এতে প্রশাসন পল্লি চিকিৎসক কামরুল কামরুলের বাড়িটি লকডাউন করে লাল নিশানা দিয়ে সবাইকে নিরাপদে থাকার জন্য বলেন। তার পরিবারের ১১ সদস্যকেও হোম করেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তাদের শরীরের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
