গত ১২ বছর ধরে ব্লগ লিখছেন। নিজের ব্লগে অমিতাভ বচ্চনের লেখায় উঠে আসে বিভিন্ন বিষয়। তার লেখায় বিভিন্ন লোকজন কমেন্টও করেন। অভিনেতাকে অনেকের সেই সমস্ত উত্তরের জবাব দিতেও দেখা গিয়েছে। সম্প্রতি, এক ব্যক্তি তাকে প্রশ্ন করেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে চান কিনা? অমিতাভ বচ্চন উত্তরে কিছুটা মজা করে বলেন, ‘সকাল সকাল শুভ কোনো কথা বলো।’
অমিতাভ বচ্চনের উত্তর দেওয়া ভঙ্গিতেই বেশ বোঝা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কোনো ইচ্ছাই তার নেই। এই ঝক্কি তিনি কখনোই পোহাতে চান না।
১৯৮৪ সালে পারিবারিক বন্ধু রাজীব গান্ধীর সমর্থনে অমিতাভ অভিনয় থেকে সংক্ষিপ্ত বিরতি নিয়ে রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি এলাহাবাদ লোকসভা আসনের জন্য উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এইচ এন বহুগুনা-র বিরুদ্ধে নির্বাচনে দাঁড়ান এবং সাধারণ নির্বাচনের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি (মোট ভোটের ৬৮.২% পেয়ে) ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তবে তার রাজনৈতিক কর্মজীবন সংক্ষিপ্ত ছিল। তিন বছর পরে তিনি পদত্যাগ করেন এবং রাজনীতিকে ‘নর্দমা’ আখ্যা দেন।
এই পদত্যাগের পেছনে ছিল বচ্চন এবং তার ভাইয়ের ‘বোফোর্স কেলেঙ্কারি’তে জড়িয়ে পড়ার ইঙ্গিত। যা একটি খবরের কাগজ জনসমক্ষে তুলে আনে। বচ্চন এই কাগজের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেন। কিন্তু শেষে জানা যায় যে বচ্চন নির্দোষ এবং এই কেলেঙ্কারিতে কোনোভাবেই জড়িত ছিলেন না।
