বিশ্বব্যাপী নভেল করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৬০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ লাখেরও অধিক মানুষ।
জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ লাখ ২৮ হাজার ৬০০ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৭০৬ জন। আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে গেছেন ৫ লাখ ৯৫ হাজার ২১৭ জন মানুষ।
করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যায় শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় শনিবার রাত পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৮৯১ জন।
শুক্রবার দেশটিতে মৃত্যু হয়েছিল ৩ হাজার ৮৫৬ জনের। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছিল ৪ হাজার ৪৯১ জনের। ফলে আগের দুই দিনের তুলনায় নভেল করোনাভাইরাসে মৃত্যুর হার কিছুটা হলেও কমেছে যুক্তরাষ্ট্রে।
এদিক করোনা প্রাদুর্ভাবে পর্যুদস্ত ইউরোপের দেশগুলো। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপথে মৃত্যুর সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা পর্যন্ত সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী কভিড-১৯ এ ইউরোপে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৫০১ জন। এর মধ্য দিয়ে করোনায় বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারানোদের প্রায় দুই তৃতীয়াংশই ইউরোপের।
মৃতের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের পরের স্থানেই রয়েছে ইতালি। দেশটিতে মারা গেছে ২৩ হাজার ২২৭। আক্রান্তের তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছে দেশটি, ১ লাখ ৭৬ হাজার ছুঁই ছুঁই।
মৃত্যুর তালিকায় তৃতীয়স্থানে আছে স্পেন। সেখানে মারা গেছে ২০ হাজার ৬৩৯ জন। আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয়স্থানে আছে দেশটি, ১ লাখ ৯৪ ছাড়িয়েছে।
১৯ হাজার ৩০০ ছাড়ানো মৃত্যু নিয়ে এই তালিকায় চতুর্থস্থানে ফ্রান্স। এরপর যুক্তরাজ্য, সেখানে মৃত ছাড়িয়ে ১৫ হাজার ৪০০।
ডিসেম্বরের মাঝামাঝি চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান শহর থেকে নভেল করোনাভাইরাসের উৎপত্তি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) পরবর্তীতে যার নাম দেয় কভিড-১৯।
চীনে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৪ হাজার ৬৩৬ জন। আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩ হাজার ৭৫৩ জন। দেশটির বিরুদ্ধে করোনা সংক্রান্ত তথ্য গোপন করার অভিযোগ করে আসছে পশ্চিমা বিশ্ব। উহানকে করোনামুক্ত ঘোষণা করে কয়েকদিন আগে লকডাউন তুলে দিলেও শুক্রবার শহরটিতে মৃতের সংখ্যা আচমকা ১৩০০ বাড়িয়ে দেয় চীন সরকার।
