নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম চালু হয়েছে। টানা ১৪ দিনের অবরুদ্ধতা মঙ্গলবার শেষ হওয়ায় গতকাল বুধবার সকাল থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকরা স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা প্রদান শুরু করেন বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু শফি মাহমুদ।
কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত ৭ এপ্রিল বিকালে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত এক চিকিৎসকের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর সন্ধ্যায় সিভিল সার্জন ডা. রণজিৎ কুমার বর্মণের নির্দেশে ওই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি অবরুদ্ধ ঘোষণা করে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। ওই চিকিৎসকের সংস্পর্শে আসা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির ৯জন চিকিৎসক, ১৯ জন নার্স, ১৯ জন রোগী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিকে থাকা পরিবারের সদস্য মিলে ১০০ জনকে নেওয়া হয় কোয়ারেন্টাইনে। একই সঙ্গে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফেরৎ যাওয়া রোগী ও তাদের ৫০ জন স্বজনকে হোম কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশ দেওয়া হয়। আর আক্রান্ত চিকিৎসককে পরের দিন পাঠানো হয় ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আবু শফি মাহমুদ বলেন, ‘একজন চিকিৎসকের শরীরে করোনা শনাক্ত হওয়ায় গত ৭ এপ্রিল লকডাউন ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘ ১৪ দিনের লকডাউন পর্ব সফল করায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক, নার্স এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
