খাবার নিয়ে তৈরি এশিয়ার ২৫টি ছবির মধ্যে নির্বাচিত ‘আহা রে’

আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০২০, ১০:৫৮ পিএম

বাংলাদেশের অভিনেতা আরিফিন শুভ অভিনীত রঞ্জন ঘোষ পরিচালিত ‘আহা রে’ সিনেমাটি খাবার নিয়ে তৈরি এশিয়ার ২৫টি চলচ্চিত্রের মধ্যে নির্বাচিত হয়েছে। এতে আরিফিন শুভর বিপরীতে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত অভিনয় করার পাশাপাশি এটির প্রযোজনাও করেছেন।

আন্তর্জাতিক একটি খ্যাতনামা ম্যাগাজিন ‘এশিয়ান মুভি পালসের’ তৈরি করা এই তালিকায় ‘আহা রে’ ছাড়াও রয়েছে পরিচালক অ্যাং লি-র 'ইট ড্রিংক ম্যান ওমেন', জুজো ইটামির 'তামপোপো'-র মতো ছবি। এছাড়াও আরও বেশ কিছু জাপানি, চাইনিজ ও উত্তর কোরিয়ার ছবি তালিকায় রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে রঞ্জন ঘোষ পরিচালিত, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের ছবি আহা রে।

এশিয়ান মুভি পালসের খাবার নিয়ে ২৫ টি এশিয়ান চলচ্চিত্রের তালিকায় আহা রে সিনেমার থাকার বিষয়টি পরিচালক রঞ্জন ঘোষ, অভিনেত্রী ও প্রযোজক ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এবং আরিফিন শুভ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত জানান, আহা রে যে সেরা ২৫টি খাবার নিয়ে তৈরি ছবির তালিকায় উঠে এসেছে, এটা আমাদের কাছে গর্বের। এর আগেও আহা রে নিয়ে আমার পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেশ কিছু পুরস্কার পেয়েছি। আমাদের কাছে এটা খুবই সম্মানের। এর জন্য আমি পরিচালক সহ আহা রে-র গোটা টিমকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। খাবার মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। খাবার নিয়ে কোনও এক্সপেরিমেন্ট করাটাও সংবেদনশীল। তবে খাবার নিয়ে তৈরি এই ছবি যে মানুষের ভালো লেগেছে, আর এটা নিয়ে যে গোটা এশিয়াতে কথা হয়েছে সেটা আমাদের কাছে আনন্দের। যদিও বর্তমান পরিস্থিতি খুব অস্থির। অনেক মানুষ খাবারের জন্যই সমস্যায় রয়েছেন। তবুও আমরা মানুষের জন্যই এই ছবিটা বানিয়েছিলাম। খাবারের ছবি হিসাবে এটা নির্বাচিত হয়েছে সেটুকু ভেবে ভালো লাগছে।

পরিচালক রঞ্জন ঘোষ বলেন, আহারে এশিয়ার ২৫টি সেরা খাবারের ছবির মধ্যে নির্বাচিত হয়েছে। এই তালিকায় অ্যাং লি-র 'ইট ড্রিংক ম্যান ওমেন', 'তামপোপো'-সহ আরও অসাধারণ কিছু ছবি রয়েছে। যে ছবি গুলির কথা আমি ফিল্ম স্কুলে পড়ার সময় পড়েছিলাম। আমি সিনেমা নিয়ে পড়ার সময় এই ছবিগুলি নিয়ে অনেক প্রজেক্ট সাবমিট করেছিলাম। এই ছবি গুলির সঙ্গে আহা রে থাকতে পেরেছে সেটা আমার কাছে গর্বের। শুধু আমার কাছেই নয় গোটা টিমের কাছে এবং এই ছবির যিনি স্তম্ভ, সেই ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত সহ সমস্ত সদস্যদের কাছে এটা একটা বড় পাওনা। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে এই ছবির প্রযোজনা করেছিলেন। মানুষের জন্যই ছবিটা বানিয়েছিলাম, সকলের কাছে ছবিটা যে পৌঁছতে পেরেছে, বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালে ছবিটা দেখানো হয়েছে সেটা বড় পাওনা। এখন মনে হচ্ছে, আমাদের সকলের পরিশ্রম সার্থক হয়েছে।'

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত