গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে করোনাভাইরাস উপেক্ষা করে বেড়েই চলছে সাধারণ যাত্রীর চাপ। যাত্রীদের মধ্যে বেশির ভাগই পোশাকশ্রমিক।
বৈরি আবহাওয়ার মধ্যেও ঘাটে রয়েছে প্রচুর যাত্রীর সমাগম। গত কয়েকদিনের তুলনায় আজ যাত্রীর চাপ তুলনামূলক বেশি। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় আজ যাত্রীর চাপ কিছুটা বেশি বলে জানায় ঘাট কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার সকাল ৯টায় দেখা যায়, দৌলতদিয়ার ৪নং ৫ং ফেরি ঘাটে প্রচুর যাত্রী অপেক্ষা করছেন নদী পারের জন্য। করোনা পরিস্থিতিতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে জরুরি ভিত্তিতে যানবাহন পারাপারের জন্য সীমিত আকারে ফেরি চালু রেখেছে বিআইডব্লিউটিসি।
এদিকে দীর্ঘ দেড় মাস দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় ফেরিতেই নদী পার হচ্ছেন তারা।
এ সময় ঝিনাইদহ থেকে আসা গার্মেন্টসকর্মী মহব্বত আলী বলেন, গার্মেন্টস খুলেছে। আমাকে আজই ঢাকাতে পৌঁছাতে হবে। কি করব? জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যেতে হচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুপুরের অফিস থেকে আমাকে ফোন করা হয়েছে। তারা বলেছে শনিবার থেকে কাজ শুরু হবে। তাই সবাইকে আসতে হবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের শাখা ব্যবস্থাপক ( বাণিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি বলেন, সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় আজ যাত্রীর চাপ কিছুটা বেশি। বর্তমান এই নৌরুটে ৫টি ফেরি চলাচল করছে।
