কক্সবাজারের টেকনাফে র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুইজন রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছে। শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার জাদিমোরা ২৬নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শালবাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় ১৫টি দেশীয় তৈরি লম্বা বন্দুক, ২৮ রাউন্ড গুলি ও দুইটি রাম দা উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহতরা হলেন- টেকনাফের ২৬নং নয়াপাড়া ক্যাম্পের ডি-ব্লকের আব্দুল হামিদের ছেলে আবদুল হাকিম (৩৫) ও অজিউল্লাহর ছেলে রশীদ উল্লাহ (৩০)।
র্যাবের দাবি, নিহত দুইজনই স্থানীয় রোহিঙ্গা ডাকাত গ্রুপ রকি বাহিনীর সদস্য।
কক্সবাজার র্যাব-১৫ সহকারি পরিচালক (মিডিয়া) আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে যে, টেকনাফ উপজেলার জাদিমোরা রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৬ শালবাগান ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে একদল রোহিঙ্গা ডাকাত অবস্থান করছে। এ খবরের ভিত্তিতে র্যাব সদস্যরা অভিযানে গেলে ডাকাতদল র্যাবের উপর অতর্কিতভাবে গুলি ছোড়ে।
এ সময় র্যাবও পাল্টা গুলি করে। গোলাগুলির একপর্যায়ে ডাকাতদল পালিয়ে গেলে র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে দুইজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের রকি গ্রুপের সদস্য বলে শনাক্ত করে র্যাব।
ঘটনাস্থল থেকে ১৫টি দেশীয় তৈরি বন্দুক, ২৮ রাউন্ড গুলি ও দুইটি ধারালো রাম দা উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে টেকনাফ থানার পুলিশকে খবর দেয়া হয়েছে।
এদিকে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, র্যাব সূত্রে খবর পেয়ে দুইটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত জব্দ করেছে। মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে টেকনাফ থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
