করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী হাসাপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নির্ণায়ক বেধে দিয়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস মোকাবিলায় সরকারের গঠিত ‘কভিড-১৯ কারিগরি কমিটি’। নির্ণায়কগুলো যথাযথভাবে পালিত হলেই একজন করোনা রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেতে পারেন বলে জানানো হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে প্রথমে ‘কভিড-১৯ কারিগরি কমিটি’র সুপারিশকৃত রোগীর ছাড়পত্রের নির্ণায়কগুলো তুলে ধরেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।
নির্ণায়কগুলো হলো-
০১. জ্বর কমানোর ওষুধ, যেমন- প্যারাসিটামল সেবন ছাড়াই জ্বর সেরে গেলে।
০২. শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ বা সমস্যাজনিত উপসর্গ, যেমন- শুষ্ক কাশি, কফ, নিশ্বাসে দুর্বলতা ইত্যাদি উপসর্গসমূহের লক্ষণীয় উন্নতি হলে।
০৩. চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে পর পর দুটি আরটিপিসিআর পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ হলে।
উল্লেখ্য, যদি দুটি আরটিপিসি পরীক্ষা সম্ভব না হয় সেক্ষেত্রে যদি রোগীর উপরিউক্ত ১ ও ২ এর নির্ণায়ক দুটি পরবর্তী টানা ৭২ ঘণ্টা যাবৎ অব্যাহত থাকে তবে রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্রের অনুমতি দেওয়া যাবে।
হাসপাতাল হতে ছাড়া পাওয়া রোগীকে অবশ্যই নিজ বাসায় বা মনোনীত যেকোনো জায়গায় আইসোলেশন বা অন্তরীণের নিয়ম মেনে চলতে হবে। হাসপাতাল হতে ছাড়পত্র পাওয়ার দিন হতে শুরু করে পরবর্তী ১৪ দিন সেখানেই অবস্থান করতে হবে।
পরবর্তীতে সম্ভব হলে বাসায় থাকা অবস্থায় অথবা মনোনীত বা নির্দেশিত জায়গায় উপস্থিত হয়ে রোগীর আরটিপিসিআর পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা দেওয়া যেতে পারে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার আটটা পর্যন্ত দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭০৯ জন করোনায় শনাক্ত হয়েছে। তাতে মোট আক্রান্ত দাঁড়িয়েছে ১৩,১৩৪ জনে। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের; মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ২০৬ জন।
