বাংলাদেশে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখার বিষয়ে সম্প্রতি ঢাকায় সাতটি দেশের রাষ্ট্রদূতদের করা টুইটের কড়া সমালোচনা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।
শনিবার এক ভিডিও বার্তায় রাষ্ট্রদূতদের কূটনৈতিক শিষ্টাচার মেনে দায়িত্ব পালনেরও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীতে কোনো দেশে রাষ্ট্রদূতদের জটলা করে এমনভাবে বিবৃতি দিতে দেখিনি। এটা খুবই দুঃখজনক। আমি খুব খুশি হতাম এই রাষ্ট্র্রদূতেরা যদি জটলা করে বলতেন- রাখাইনে যুদ্ধ হচ্ছে, এটা বন্ধ হওয়া উচিত।’
রাষ্ট্রদূতদের টুইটে দেওয়া অভিমত কূটনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘তাদের যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তবে তা প্রটোকল অনুযায়ী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানাতে পারতেন।’
‘কিন্তু সেটা না করে তারা রাজনীতির মহড়ায় চলে গেছেন। প্রকাশ্যে বিবৃতি দিচ্ছেন। তারা কি এদেশে রাজনীতি করবেন? নির্বাচন করবেন? নাকি অন্য কোনো কিছু?’ যোগ করেন আবদুল মোমেন।
তিনি বলেন, ‘এসব মতলব সুবিধার না। আমি আশা করব, তারা তাদের প্রটোকল মানবেন এবং সেভাবেই কাজ করবেন।’
প্রসঙ্গত, করোনা মহামারির সময় নির্ভরযোগ্য ও বাস্তব ভিত্তিক তথ্য প্রচার নিশ্চিত করার স্বার্থে গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বৃহস্পতিবার ঢাকায় নিযুক্ত পশ্চিমা সাতটি দেশের রাষ্ট্রদূত টুইট করেন।
এছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক উপ সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যালিস জি ওয়েলস টুইটে লিখেছেন, বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে (আইসিটি) নতুন করে গ্রেপ্তারের ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন। প্রতিটি মানুষের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।
