মাদারীপুরে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে দ্বিতীয় দফায় লকডাউন শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে মাদারীপুর শহর, কালকিনি, রাজৈর ও সদর উপজেলায় দোকান বন্ধ রয়েছে। কিন্তু শিবচরে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে সকাল থেকেই দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকেই জেলা শহর ও তিনটি উপজেলায় সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। বাণিজ্য কেন্দ্র পুরানবাজারসহ বিভিন্ন হাটবাজারে বেড়েছে প্রশাসনের নজরদারি। থানা পুলিশের পাশাপাশি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে কাজ করছে গোয়েন্দা পুলিশ।
গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বসানো হয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট। এছাড়া দু-একটি স্থানে কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুললেও পুলিশ তা বন্ধ করে দিচ্ছে। অপ্রয়োজনে রাস্তাঘাটে চলাফেরা করা মানুষদের সতর্ক করছে পুলিশের পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত।
তবে শিবচরে জেলা প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে দোকান খোলা রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলার অন্য তিন উপজেলার তুলনায় করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি শিবচরেই বেশি। জেলা প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে, রবিবার তারা শিবচরে গিয়ে মিটিং করে দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত নেবে।
শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে আমরা দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা পেয়েছি। আমাদের এখানে প্রশাসনের ফোর্সের সংখ্যা কম থাকায় আমরা পুরোপুরিভাবে দোকান বন্ধ করতে পারিনি। চেষ্টা করে যাচ্ছি। মাঠে ভ্রাম্যমাণ আদালতের টিম কাজ করছে। দুই এক দিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।
জেলা প্রশাসক ও জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, মাদারীপুর শহরসহ কালকিনি, রাজৈর ও সদর উপজেলায় দোকান বন্ধ রয়েছে। শিবচরে দোকানপাট অন্যান্য উপজেলার তুলনায় অনেক আগে বন্ধ করা হয়েছিল। তাই ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা দুইদিন বেশি সময় চেয়েছে। আমরা রবিবার শিবচরে গিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও নেতৃবৃন্দদের সাথে মিটিং করে দোকান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিব।
