কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে ঘরমুখী মানুষের ভিড়

আপডেট : ১৭ মে ২০২০, ১২:০৭ পিএম

মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে ঘরমুখী যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে।

রবিবার সকাল থেকেই ঘাটের উভয় পাড়ে ভিড় করেছেন যাত্রীরা। লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ফেরিতে পারাপার হচ্ছেন। সামাজিক দূরুত্ব না মেনেই যাতায়াত করছেন অধিকাংশ যাত্রী।

মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুল আলিম মিয়া জানান, সরকারি নির্দেশনা পাওয়ার পর এই নৌ-রুটে চলাচলকারী ১৭টি ফেরির মধ্যে ১০টির চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

image

তবে, জরুরি প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্স ও সরকারি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পারাপারের ৭টি ফেরি সীমিত আকারে চলাচল করতো। যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন চালু রয়েছে ১২ থেকে ১৪টি ফেরি।

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দক্ষিণাঞ্চলের হাজার হাজার যাত্রী ভ্যান, মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকে চড়ে ঘাটে এসে ভিড় জমাচ্ছেন। পরে পাড়ি দিচ্ছেন পদ্মানদী। সাত কিলোমিটারের এই নৌরুটে ছোট বড় যানবাহন ও পণ্যবাহী ট্রাকের চাপও রয়েছে।

বরিশালের মুলাদীগামী যাত্রী কামাল হোসেন জানান, সরকারি সাধারণ ছুটিতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পাশাপাশি রাজধানীতে শপিংমল বিপণীবিতান ও মার্কেটগুলো বন্ধ থাকায় আগেভাগেই গ্রামের বাড়ি ফিরছেন। তবে এক্সপ্রেসওয়েতে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ছোট ছোট যানবাহনে বিকল্প সড়ক পথে ভোগান্তি মাথায় করেই শিমুলিয়া ঘাটে পৌঁছতে হয়েছে তাকে। খরচ পড়ছে অতিরিক্ত টাকাও।

image

মাওয়া নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবীর জানান, সকাল থেকেই ঢাকা ও দক্ষিণবঙ্গ উভয়মুখী যাত্রীদের চাপ রয়েছে। এর মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাক ছাড়া রয়েছে প্রাইভেটকার, মাইক্রো, অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেল। তবে গেল দু’দিনের তুলনায় যানবাহনের সংখ্যা কম।

হাষাড়া হাইওয়ে থানার ইনচার্জ আব্দুল বাছেদ জানান, অন্যসব দিনের তুলনায় যানবাহনের আধিক্য কমেছে। সিরাজদীখান থেকে শিমুলিয়া পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়েতে পৃথক ৭টি পয়েন্টে পুলিশের চেকপোস্ট রয়েছে। এসব চেকপোস্টে যানবাহন চলাচল ও যাত্রীদের সামাজিক দূরত্ব নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত