মোংলায় আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছে সাড়ে ৭ হাজার মানুষ

আপডেট : ২০ মে ২০২০, ০৮:২২ এএম

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে থাকায় রাতে মোংলার বিভিন্ন সাইক্লোন শেল্টারে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

আশ্রয় কেন্দ্রে উঠা এ সকল লোকজনের মাঝে শুকনো খাবার যেমন- চিড়া, মুড়ি, বিস্কুট, আখের গুড় এবং খিচুড়ি বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া দেয়া হয়েছে মোমবাতি ও দেয়াশলাইও।

আম্পানের কারণে মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে আবহাওয়া ক্রমশই খারাপের দিকে যেতে থাকে। বিকেল থেকে থেমে থেমে ঝড়ো ও দমকা হাওয়া এবং বৃষ্টিপাত শুরু হয়, যা সন্ধ্যার পর থেকে আরো বাড়তে শুরু করে।

যার ফলে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় মোংলার সবচেয়ে দুর্গম এলাকা হিসেবে চিহ্নিত চিলা, সুন্দরবন ও বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের নদীর পাড়ের দুর্বল কাঁচা ঘরবাড়ীতে বসবাসকারীদের সন্ধ্যার পর থেকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়।

রাতে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে বেশি উঠেছে চিলা ইউনিয়নের লোকজন। এরপর সুন্দরবন, সোনাইলতলা ও বুড়িরডাঙ্গার লোকজন উঠে আশ্রয় কেন্দ্রে।

রাতেই উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাহাত মান্নান ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. নাহিদুজ্জামান নাহিদ আশ্রয় কেন্দ্রে উঠা সাধারণ লোকজনের কাছে ছুটে যান। সকলের মাঝে খাবার বিতরণ করার পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সেখানে নিরাপদে অবস্থানের ব্যবস্থা করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাহাত মান্নান বলেন, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ থেকে ইতিমধ্যে ২৪ টন চাল, শুকনো খাবারের জন্য ৩৬ হাজার টাকা এবং শিশু খাবার সংগ্রহের জন্য ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত