দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলিতে মাত্র একদিনের ব্যবধানে পাইকারিতে দেশি পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা করে। একইভাবে দাম কমেছে খুচরা পর্যায়েও।
একদিন আগেও প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও তা এখন কমে বর্তমানে ৩৮ টাকা থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে মসলা জাতীয় পণ্য পেঁয়াজের দাম কমায় স্বস্তি ফিরেছে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের মাঝে।
হিলি বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী শাকিল খান বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউনে দীর্ঘ দুমাসের বেশি সময় ধরে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি বন্ধ রয়েছে।
এর ফলে পেঁয়াজসহ অন্যান্য সকল পণ্য আসা বন্ধ রয়েছে যার কারণে বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যায়।
এদিকে দীর্ঘদিন বন্ধের পর গতকাল বৃহস্পতিবার হিলি রেলপথ দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। এর ফলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ খানিকটা বেড়েছে।
একইভাবে আমাদের দেশীয় পেঁয়াজের মোকামগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পেঁয়াজ থাকায় বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে কোন রকমের ঘাটতি নেই। এতে করে দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ার কারণে ঈদের সময় মাঝে যে পেঁয়াজের দাম খানিকটা ঊর্ধ্বমুখী হয়েছিল তা এখন কমতে শুরু করেছে।
তবে মানুষ খানিকটা বেশি দাম হলেও ভারতীয় পেঁয়াজের তুলনায় দেশীয় পেঁয়াজই বেশি খাচ্ছে, আর আমদানিকৃত ভারতীয় পেঁয়াজগুলো দেশের অন্যান্য এলাকায় বেশি চলার কারণে ওইসব এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে।
