করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে দুই মাস বন্ধ থাকার পর অফিস খুললেও সর্বোচ্চ আদালত এখনই খুলছে না। সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট দুই বিভাগেই আরও কিছুদিন ভার্চুয়াল শুনানি চলবে বলে জানানো হয়েছে।
শনিবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর এক বিজ্ঞপ্তি এই সিদ্ধান্ত জানান। তবে নিম্ন আদালতে বিচার কিভাবে হবে, তা এই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়নি। ভার্চুয়াল আদালত চালুর পর সারাদেশে নিম্ন আদালতে সপ্তাহে দুদিন সেভাবেই শুনানি চলেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপযুক্ত বিষয়ে নির্দেশিত হয়ে জানানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি মহোদয়ের বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ মাননীয় বিচারপতি মহোদয়গণের সাথে আলোচনাক্রমে সিদ্ধান্ত হয় যে দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস (কোভিভ-১৯ ) এর সংক্রমণ রোধকল্পে এবং শারীরিক উপস্থিতি ব্যতিরেকে আগামী ৩১/০৫/২০২০ তারিখ হতে ১৫/০৬/২০২০ তারিখ পর্যন্ত আদালত কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২০ এবং অত্র কোর্ট কর্তৃক জারিকৃত প্রাকটিস ডাইরেকশন অনুসরণ করত তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুধু ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারকার্য পরিচালিত হবে।
ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে বিচারের জন্য প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন হাই কোর্ট বিভাগে ১১টি বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন।
শনিবার হাই কোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়া এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেন।
এই ১১টি ভার্চ্যুয়াল কোর্টে কোন বিচারপতি কী বিচারকাজ পরিচালনা করবেন, বিজ্ঞপ্তিতে তাও উল্লেখ করা হয়েছে।
যে ১১ বিচারক বিচারকাজ পরিচালনা করবেন তারা হলেন- বিচারপতি বোরহান উদ্দিন, বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন, বিচারপতি জেবিএম হাসান, বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার, বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল, বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া, বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান।
