বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো বলেছেন, তিনি দলে এমন পরিবেশ তৈরি করতে চান যেন খেলোয়াড়রা শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা কথা বলতে পারেন।
দক্ষিণ আফ্রিকান কোচের আশা, খেলোয়াড়রা নিজেদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সৎ থাকবেন। ‘মানসিক বিষন্নতার মতো বিষয় সম্পর্কে আমার মনে হয় খেলোয়াড়দের সৎ থাকা উচিত এবং খোলামেলা হওয়া উচিত।’ সংবাদ মাধ্যম ক্রিকবাজকে বলেন ডমিঙ্গো।
খেলোয়াড়রা অনেক সময় মানসিক অবসাদে ভোগেন। ইদানীং অনেক তারকা ক্রিকেটারই নিজেদের এমন কঠিন সময়ের কথা তুলে ধরছেন। ভারতের পেসার মোহাম্মদ শামি, রবিন উথাপ্পা মানসিক অবসাদ থেকে আত্মহত্যার কথা পর্যন্ত ভেবেছিলেন বলে জানিয়েছেন সম্প্রতি।
কিছুদিন আগে মানসিক অবসাদের কারণে অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল সাময়িক বিরতি নেন ক্রিকেট থেকে। স্টিভ হার্মিসন, মার্কাস ট্রেসকোথিকদের মতো ইংলিশদের খেলোয়াড়ি জীবনে মানসিক অবসাদে ভোগার কথা সামনে এসেছে।
তবে উপমহাদেশে, বিশেষ করে বাংলাদেশে এই সংস্কৃতি নেই। মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা যেমন কিছুদিন আগে একবার বলেছিলেন, আমাদের এখনে এমনটা বললে বলা হবে অজুহাত দিচ্ছে।
ডমিঙ্গো বলছেন, ‘সব খেলোয়াড় আসলে এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে না। কিন্তু আমরা দলে এমন পরিবেশ চাই, যেন আমাদের খেলোয়াড়রা খোলামেলা কথা বলতে পারে। তারা কেমন অনুভব করছে, তাদের বিরতি প্রয়োজন কিনা…। সেটা মানসিক হোক বা শারীরিক।’
