চট্টগ্রামে ওষুধের পাইকারি বাজার হাজারি লেইনে গত রবিবার অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন ও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। এ সময় বাড়তি দামে ওষুধ বিক্রিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২৯টি ফার্মেসি থেকে ১০ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় ও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরিন আক্তার ও এস এম আলমগীর হোসেন ১৪ ফার্মেসি মালিককে ৭ লাখ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক ১০ ফার্মেসি মালিককে ৩ লাখ ৪৩ হাজার এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী ৫ ফার্মেসি মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরিন আক্তার বলেন, ‘জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে অভিযানে র্যাব ও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর অংশ নেয়। জরিমানা করা ছাড়াও প্রায় ১৫ লাখ টাকা মূল্যের নকল মাস্ক, স্যানিটাইজার, পিপিই, জীবাণুনাশকসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী জব্দ করা হয়।’ উমর ফারুক বলেন, ‘অভিযানে মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে ওষুধের দাম বাড়ানোর সত্যতা পাওয়া যায়। এসব মালিকের অনেকেরই ফার্মাসিস্ট সনদ নেই। তারা অবৈধভাবে বিদেশি ওষুধ বিক্রি, ওষুধের প্যাকেটের মূল্য কাটাছেঁড়া করে বাড়তি মূল্য সংযোজন ছাড়াও নকল পিপিই, মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রি করে আসছেন।’
এদিকে কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন জানান, ১৪০ টাকার ১০টি ইভেরা-৬ ট্যাবলেট ১০০০ টাকায় বিক্রি করার অভিযোগ পেয়ে মেসার্স গফুর ফার্মায় অভিযান চালানো হয়। শুরুতে তারা ওষুধটি নেই জানায়, পরে ঠিকই ১৩টি ওষুধ বের করে দেয়। বাড়তি দাম রাখায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. আশরাফ (২৮), কর্মচারী অনিক ধর (১৮) ও আকবর হোসেনকে (১৮) আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়।
