সালমানের পরিবারের বিরূদ্ধে ‘দাবাং’ পরিচালকের অভিযোগ

আপডেট : ১৬ জুন ২০২০, ০১:১৮ পিএম

২০১০ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দাবাং’ সালমান খানকে আর্থিকভাবে লাভবান করলেও পরের দুই কিস্তিতে ছিলেন না পরিচালক অভিনব সিনহা কাশ্যপ। সম্প্রতি খান পরিবারের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ আনলেন।

সিনেমাটির প্রযোজক ছিলেন সালমানের ভাই আরবাজ খান। ফেইসবুকে সম্প্রতি অভিনব অভিযোগ করেন, ‘দাবাং’ মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই তার সমস্ত প্রজেক্ট বানচালের করার চেষ্টা করেছে আরবাজ ও তার পরিবার। পরিচালক বলেন, সারাক্ষণ এই বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে করতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।

অভিনব লেখেন, “১০ বছর আগে ‘দাবাং টু’ থেকে বেরিয়ে এসেছিলাম কারণ আরবাজ খান, সোহেল খান ও তার পরিবারের যোগসাজশ। তারা আমার ক্যারিয়ারের নিয়ন্ত্রণ নিতে চেয়েছিল, আমাকে বারবার বুলিং করে গেছে। শ্রী অষ্টবিনায়ক ফিল্মসের সঙ্গে আমার দ্বিতীয় প্রজেক্ট হতে দেয়নি। আমি সই করার পর আরবাজ খান ব্যক্তিগতভাবে সেখানকার প্রধান রাজ মেহতাকে ফোন করেন এবং ভয় দেখান আমাকে নিয়ে কাজ করলে ফল ভুগতে হবে। ফলে আমাকে সাইনিং অ্যামাউন্ট ফেরত দিতে হয়েছিল এবং ভায়াকম পিকচারসে যাই। সেখানেও একই ঘটনা ঘটে।”

আরও বলেন, “এই সময় সামনে আসেন সোহেল খান এবং ভায়াকমের সিইও বিক্রম মালহোত্রার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ান। আমার প্রজেক্ট মাঝপথে আটকে যায় এবং সাইনিং মানির সাত কোটি রুপি সুদ সমেত ফেরত দিতে হয়। যা ছিল ৯০ লাখ রুপি। তখন আমাকে বাঁচাতে এসেছিল রিলায়্যান্স এন্টারটেইনমেন্ট এবং ‘বেশরম’ নিয়ে কাজ করা শুরু করি।”

“আমার সমস্ত প্রজেক্ট ও ক্রিয়েটিভ কাজের ক্ষতি করতে শুরু করে এবং বারবার আমার পরিবারের জীবনহানি ও মেয়েদের ধর্ষণের হুমকি আসতে থাকে। নিজের ওপর আস্থা হারাতে থাকি ও রাগ হতে থাকে। আর সে কারণেই ২০১৭ সালে পরিবারের থেকে দূরে সরে যেতে থাকি, যা বিবাহ বিচ্ছেদ ও পরিবারের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগে গিয়ে শেষ হয়।”

অভিনব সিনহা কাশ্যপ ওই পোস্টে লেখেন, “আমি হার মানব না এবং লড়াই চালিয়ে যাব, যতক্ষণ পর্যন্ত ওদের নয় আমার ধ্বংস হয়। অনেক সহ্য করেছি। এবার ঘুরে দাঁড়াবার সময়।”

রবিবার সুশান্ত সিং রাজপুত আত্মঘাতী হওয়ার পরই এই নোট লেখেন অভিনব। সরকারের কাছে অনুরোধ করেন যাতে এ অভিনেতার মৃত্যুর পূর্ণ তদন্ত হয়।

এখানেই শেষ নয়, লম্বা সোশাল পোস্টে ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলোর বিরূদ্ধেও সরব হন পরিচালক।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত